Main menu

মহসেন এমাদির লগে আলাপ/ পেরসিস করিম

পলিটিক্যালি প্রো-ইরানিয়ান বা অ্যান্টি-ইরানিয়ান অ্যাটিটুড’রে আপহোল্ড করা অথবা বর্তমান দুনিয়ার কবিতার হাল-হকিকত ইনফর্ম করার ইচ্ছা থিকা এই অনুবাদ বাছাই করা হয় নাই। অনুবাদ তো আসলে অনেক রকমের; কিন্তু সেই নানান রকমগুলা বাংলা-ভাষায় খুববেশি ভিজিবল বইলা মনেহয় না; ইংরেজী, স্প্যানিশ, ফরাসী, উর্দু, হিন্দি – যে কোন ভাষার অনুবাদের টোন একইরকম ভাব-এ কানে বাজতে থাকে। এই অনুবাদ মে বি সেই ডিফরেন্সের জায়গাটারে হাইলাইট করতে পারে কিছুটা। এটলিস্ট খাঁটি বাংলা-ভাষা হওয়ার টেনশনটা এইখানে কম।

ইরাণ দেশে জন্ম লওয়া কবি মহসেন এমাদি (عمادی محسن‎)। ১৯৭৬য়ে জন্ম। কবি আর তর্জমাকার। ইন্টারভিউ’টা নেয়া হইছিল ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে। টেক্সটা ইংরেজি থিকা অনুবাদ করা হইছে বাংলায়।

———————————————————-

পেরসিস করিম: আসলে কি কারনে ইরাণ ত্যাগ করলা খোলাশা করে বলবা? কয়েদ হয়ে যেতে পারার পেরেশানিতে কি ছিলা? তুমিতো ২০০৯য়ে ইরাণ ছাড়ছো। তয় লীন কফিন, ঐ যে তোমার কেতাবের তর্জমাকার আছিলো যে, উনার লগে আলাপে তুমি তো ঝাইড়া কাশো নাই। খোলাশা করে কিছু বলো নাই। এইবার সাফসাফ কিছু জানাও তো…

মহসেন এমাদি: ইরাণ ছাড়তে বাধ্য হমু কিনা এই বিষয়ে শিওর আছিলাম না। বচ্ছরের উপরে হয় যে আমি সরকাররে নানানভাবে মোকাবিলা কইরা আসতেছিলাম। দেশের ভিতর থাইকাই আমি আমার মোকাবিলা জারি রাখতেছিলাম। ইসায়ী ১৯৯৯’র ছাত্র আন্দোলন ধরা খাওয়ার পর পরই আমার বহুত দোস্ত-বন্ধু ইরাণ ছাইড়া পলায়। টুকটাক ধমকি-ধামকি তো আমি নিজেও পায়া আসতেছিলামই। যেমন কিনা ধরো, ২০০৭-০৮য়ে ইরানের বাইরে যেই সব বাত-চিত করছি ঐটা লয়া কৈফিয়ত তলব করছিলো। আমার বাসা-বাড়িতে তল্লাশি চালাইছে। আরো কত কি… কাহাতক্ বলা যায়! তয় ঐ সময় সরকারের গাউস-কুতুবরা এত্ত সিরিয়াস আছিলেন না। শরিফ ভার্সিটিতে পড়ি। টগবগা তরুন ছাত্র আমি, যে কিনা রাজনীতি আর সাহিত্যের ময়দান দাপায় বেড়াইতেছে। কয়েক মাসের জেল? থু:। পানিভাত। তয়, যেই বিষয়টা আমারে ইরাণ ছাইড়া যাইতে সত্যিই বাধ্য করছিলো তা হলো, ইরাণ যে ছাড়েখারে যাইতেছে সেই অনুভব। একটা দেশ যার কোনো নীতি নাই, নৈতিকতা নাই, আশা নাই, প্রতারক-হারামিরাই যেই দেশের ঝান্ডা ধইরা আছে, যেইখানে কিনা সার্বজনিন পরিবেশে কাজকামের চিন্তা তামাশা মাত্র, যেই রাষ্ট্র সাহিত্যিক মাফিয়াতে টইটুম্বুর, রাষ্ট্রের সমস্ত এলাকায় সরকারী হারামখোর আর আকামাদের ভীড়, কি পারসোনাল- কি পাবলিক- সব জায়গায়ই। এই কিছিমের তামশার বর্ণনা তুমি পাইবা হার্বাট-মিলোজের হিজরতে। ২০০৯য়ের দুই মাস আমি সবুজ আন্দোলনের সবগুলা মিছিলে সামিল হই। সেইখানে নিজেই দেখি যে রাস্তার আন্দোলন ঠেকাইতে সরকার কি পরিমান নির্মম হইতে পারে। খুন-জখম-বুলেট আর টিয়ারগ্যাসের দুনিয়া। আমি আগেই জানতাম যে, সরকার জনতার চাহিদা, ইচ্ছার দিকে মাথা ঝুঁকাইবো না। তো, কি আর করা। ফিরা যাবার একটুকরা ছোট্ট খোয়াব কলবে নিয়া ইরাণ ছাইড়া আসি। তয়, ঐ খোয়াব খোয়াবই থাইকা যাবে, জানি আমি। কারণ ইরানে থাকা আমার কতক জানের জান দোস্ত-বন্ধুরে খুনের পর থিকা আমি আরো র‌্যাডিক্যাল চাবুক পিটাইন্না পজিশন লই- আমার লেখায়, আমার কথায় আর সাক্ষাতকারে।

পেরসিস করিম: ২০০৯য়ের আগে কি ইরাণ ছাইড়া মেলাদিন কোথাও কখনো থাকছিলা? আর ছাড়লাই যখন ভাবছিলা নাকি যে এইটা তুমি পারমানেন্টলি ছাড়তেছো?ধরো, এক কিছিমের নির্বাসন, কালাপানি কি?

মহসেন এমাদি: আসলে বলতে কি যে, আমার পয়লা কেতাব ইরানে ছাপা হয় নাই। ২০০৩য়ের দিকে বাইর হয় আমার পয়লা কেতাব i। আর তোমার হয়তো তাজ্জব লাগতে পারে যে, ঐটা আছিল স্প্যানীশ ভাষায়। ছাপাও হইছিলো স্পেনে। তো, এরপর স্পেন গেলাম কবিতার এক মেহফিলে। প্রত্যেকবারেই এক কি দুই মাস কোনো না কোনো কবি-লেখকের বাসায় থাকছি। তুরস্কেও গেছি। জালালুদ্দিন রুমি’র উপরে একটা গবেষণার কামেই মূলত: তয়, কোনো কোনো সময় সেইটা আছিলো কেবল আমার তুর্কি কবি দোস্ত-বন্ধুদের লগে মোলাকাতের উছিলায়। এখন, এইবেলা মনে হইতেছে যে ফিরিবার আর কোনো সুযোগই অবশিষ্ট নাই। নিজেই বহুত বদলায়া গেছি। আত্ম-সমালোচনার এক দীর্ঘ কাল পাড়ি দিয়া আসছি আমি। এইখানে আইসা আমার দারুন এক সুযোগ ছিলো মরহুম হুয়ান গেলমানের লগে গভীর দোস্তি পাতানোর। আর গেলমানের আছর আমার উপরে কি ভয়াবহ! উনি তো আরজেন্টিনায় ফিরা যান নাই। এমনকি এই যে শেষ জানুয়ারী যখন অন্যায় নির্বাসনের অত্যাচারে উনি মারা যান, আমরা তার দেহ-ভষ্ম মেহিকোর গ্রামে গ্রামে ছড়ায় দিই। উনি পইড়া থাকেন কবরে, একা, সমাধীফলকহীন। নির্বাসিত। ভাবি আমি, আমার নসিবেও এর অধিক কিছু নাই।

পেরসিস করিম: আচ্ছা। এখন বলো তো আমারে হে আশ্চর্য মানুষ, একজন কবি আর একজন মানুষ দুই বিবেচনাতেই, এই যে তুমি দুনিয়া দাপায় বেড়াইলা, এইটা তোমার আত্মপরিচয় নির্মাণ বা তুমি কে, দুনিয়ার লগে তোমার খাতির কি- এই বিষয়ে কি রকম প্রভাবিত করছে?

মহসেন এমাদি: কবি হিসাবে কইতে পারি, তামাম জাহানটারে জড়ায় ধরবার কোশেশ করছি আমি। নানান ভাষায়, নানান কালচারে, ভূগোলে যেই মিল আর ভিন্নতা আছে সেইটারে- সেইটার ছন্দ, রিদম আবিস্কারেরই কোশেশ করছি আমি। ফিনল্যান্ড, চেক রিপাবলিক আর স্পেন আমার ভেতরে তাজা, জীবন্ত- বসত করে, যেইরাম কিনা ইরাণও আমার ভেতরেই আছে। অন্যান্য সাবজেক্টিভিটির মধ্য দিয়া আমি নিজেরে আবিস্কার করি, নিজেরে দেখি। তুষারের সাবজেক্টিভিটি, লেকের, বন্ধুদের.. আর ভাষার। দুনিয়ার যেইসব জায়গায় আমি গেছি থাকছি- বহুত জায়গার, এলাকার কবিতা আমি তর্জমা করছি। তর্জমা’র চেষ্টা চালাইছি। ঐসমস্ত কবিতাই ক্রমে ক্রমান্বয়ে আমারে বদলায় দিছে। তারা আমার হয়া উঠছে। রুমির লাহান হোলানরে ভালবাসি আমি। শামলু’র মতোন কেরনুদারে আমারো পছন্দ। আরো অনেক অনেক কবি আছেন আমার মনপছন্দের হিসাবে। স্প্যানিশে আমার লেখা বই, এন্থোলজি, জর্নাল মিলায় গোটাকতক কেতাব বাইর হইছে। এমনকি, অল্প কয়দিন আগেও আমি আম্রিকা লয়া মাতি নাই। আম্রিকা আমার কাছে আবিস্কারের আনন্দ নিয়া আসে যে খুব বেশী দিন না। আগ্রহ আর এক আকাশ ইচ্ছা আমারে এইখানে টাইনা আনছে। বহু ল্যটিন আম্রিকান কবিতারে আমি ফার্সিতে তর্জমা করছি। আমি চাইছি যে, এর শরীর, কবিতার শরীর ছুঁয়ে দিতে। একদম হঠাৎই, মেহিকোতে থেকে যাবার একটা এন্তেজাম হয়া যায়। এইখানে আসার পর, থাকার পর দিনে দিনে এই জায়গাটা আমার আপন হয়া উঠতে থাকে।

পেরসিস করিম: স্প্যানিশ ভাষায় তো তুমি বেশ কাবিল হয়া উঠছো। একেবারেই ঝরঝরা বুলি তোমার। শিখছো নাকি কোথাও? তর্জমার মধ্য দিয়া এই যে  নয়া পরিবেশ, নয়া দেশ বা নয়া ভাষায় খাপ খাওয়ানি- বিষয়টা কেমন বলো তো…

মহসেন এমাদি: আমি আসলে বহুত বছর থিকাই স্প্যানিশ শিখতে গাইগুই করতেছিলাম। তয়, যেই না গ্রানাদার এক কবিতার মেহফিলে আন্তোনিও গামোনেদা’র লগে দেখা হয়া যায়। উনার কবিতা, আমারে দেয়া উনার সঙ্গ- আমারে স্প্যানিশ শিখতে প্রণোদিত করে। আগে অল্পসল্প টুকটাক জানতাম। চইলা ফিরা খাওয়ার মতোন তেমন কিছু আছিলো না ঐটা। স্প্যানিশ ভাষার জগতে চক্কর দেওনের জন্যও সেইটা এক মুঠের অধিক না। আমার লাগে যে, আমি যে কোনো ভাষা দ্রুত শিখতে পারি। এখন ব্রাজিলিয় পর্তুগীজ শিখতেছি। কারন, মূল ভাষা থিকা আন্দ্রাদে আর মেলো’র যেই তর্জমা আমি করছি সেইগুলা নতুন কইরা গুছাইতে চাই।

পেরসিস করিম: ইরাণের মশহুর কবি  মরহুম আহমদ শামলু’র লেখালিখি’র যেই প্রচার তুমি চালাও সেইটা তোমারে ইরাণ আর ফারসি ভাষার লগে কেমনে একাত্ম করে রাখে? সওয়ালটা একদিকে ধরতে পারো উনার কবিতার ধারারে টিকায় রাখার অর্থে তোমার যেই খাটাখাটনি সেইটা বা ধরো প্রান্তিক কবিতার দিকে তোমার আগ্রহী নজরের কারণেও করা।

মহসেন এমাদি: তোমারে বলি, শামলু আমার অন্তরে থাকবেন চিরকাল। ওস্তাদ হিসাবে। কবি হিসাবে তো আলবত্। উনারে আমি ভালোবাসি পরাণের গহীন থিকা। সমস্ত ইরাণী কবিতায় আর একজীবনে আমার যত মানুষের সাথে মোলাকাত হইছে তাদের মধ্যে দেখা সবচাইতে সেরা মানুষ শামলু। তাঁর উপস্থিতি আমার কাছে গামোনেদা বা গেলমানের সমান সমান। উনার লেখা যতই পড়ি যেনো ফুরায় না। যতবারই পড়ি নতুন কিছু পাই। তাজ্জব ব্যাপার! তাই না? আমার কপালগুনে তাঁর সাথে আমার মোলাকাত হইছিলো। তাঁর স্বরের যে গভীরতা, তার কবিতার শক্তি আর তার চরিত্রের সরলতা আমি সবসময় টের পাই, অনুভব করি। যেইটা কিনা আমার দেশ ইরাণ হারায় ফেলছে। যেইটা ফিরা অর্জন বিনা ইরাণের পথ নাই।

পেরসিস করিম: ‘নির্বাসনে’ আসার কালে এমন কোনো ফুরসত বা ঘটনা- কিছুকি রয়া গেছে যেইটা তুমি আমলে আনো নাই।

মহসেন এমাদি: ইরাণ ছাইড়া আসার কালে সবকিছুই তাজ্জব লাগতো- এমনকি আমার আপন কবিতার দিকে তাকায়ও চমকায় উঠতাম। যতসব জায়গায় আমি গেছি, যা কিছু আমি দেখছি- এমন সবকিছুর চাইতেও ভাষা আর ভাষার কাবিলিয়ত আমারে অবাক করে রাখে। তব্দা হয়া চায়া থাকি আমি। বিভিন্ন বস্তু আর তাদের নামকরণ করা নিয়া আমি হামেশাই ভেবেছি। একটা গাছরে গাছ ডাকা হয় কেনো, কেমনে? স্প্যানিশরা কেনো গাছরে গাছ না বলে árbol বলে? বা পারসিরা বলে derakht? কেনো? বিষয়টার গোড়ায় কি এমন ঘটনা আছে যার ফলে একই জিনিসের নাম ভিন্ন ভিন্ন হয়া যাইতেছে? কেনো? হামেশা, হররোজ আমি আমার ক্ষমতা আর অক্ষমতার কথা ভাবি। আমার খোয়াব নিয়া ভাবি। ভাবি আমারে নিয়া।

 

মহসেন এমাদি

মহসেন এমাদি

 

স্ট্যান্ডিং অন আর্থকেতাব থিকা দুইটা কবিতা তর্জমা

 

দশ.

খামকা খালি চমকায় দেখো আসমানের ঐ চাঁদ
আর হুদাই তো হয় না কোনো যুদ্ধের শুরুয়াত
তয় যুদ্ধে যে যায় আর যে থাকে
বেবাকেই খায় ধরা, আপন নসিবের পাকে।
তো, কি আর করা! তাকাও আমার চোখে
যেমনে কিনা গুছাও ব্যাগ,
বলো বিদায়
আফসোসহীন, আহা!

সিগ্রেটের সুখটানের সুখ নিয়া যাবা সকল
ট্রেন না ছাড়ে যতক্ষনে
জানি, আত্মোপলব্ধি আফসোসের ফল
আর চাই নাই সত্য হয়া উঠতে তোমা সনে।

তো, আবারো বলি, কি আর করা
মুদো আখি
চুমু খাও আমায়
যবতক না তোমার চুমু আমার দেহে গলে গলে মিশে যায়, ক্ষণে ক্ষনে।
আর মিশে যায় তোয়াক্কাহীন চাঁদে।
আসলে, ট্রেন ক্রমে আসিতেছে, জংশনে
তো, বলা যায়, সুন্দর অসম্ভবের ফল।
যা কিনা হতাসার গর্ভেই সম্ভব কেবল।

যখন আমার শরীর
দো-জাহানের খোয়াব
তখন তুমি
সিগারেট পিশে ফেলো পায়ে।
হও অন্তহীন, লা-জবাব।

সার্চলাইট থামে
গোলগাল চাঁদের মূর্তিতে
পরিত্যক্ত জংশনে
গোলাগুলির ফুর্তিতে।

 

নয়.

ঘড়ি সচল হৃদয় অচল তবে মরন তারে বলে।
হৃদয় উছল ঘড়ি চুপচাপ – প্রেমের গাড়ি চলে।
মনেলয়, এই সহজ ফারাক বিস্তর কথা কয়
কেনো তুমি ঘড়িতে খেয়ালী, অসময়।
কেবল তুমিই জানো প্রতীক্ষা অনন্তকালের ঘনঘটা
আর প্রেম, মরনশীল মানবের এক আশ্চর্য তেলেসমাতি
আগামাথাহীন অনন্তকালরেও শরমে দেয় ফেলে।
মরন কাউরে পুছে না, হায়, কোনোকালে!

গ্রীষ্মের দীর্ঘ দুপুর
কফিন আর ক্লক টাওয়ারে ঢলে ঢলে পড়ছে।
সর্বনাশই জানে কেবল
আর তুমি তো জানো না যে কিছু!
তামশা হয়া উঠে যুদ্ধকালীন প্রতীক্ষা
আর জীবন বাচানি, জীবন রক্ষা।
গোটা গোটা হরফে সে-ই সত্য।

সে কি মৃত?
আহা! তোমারে ছেড়ে সে কি গেলো উড়ে?
নাকি ভালো তুমি কখনোই বাসো নাই তারে?
মড়া তো দেয় না জবাব
জিন্দা কেবল পলায় দূরে
আর প্রেম তখন থেকেই
ঠকাঠক কাঁপে
ঘড়ির কাঁটার তাপে।

 

 

 

জামিল আহমেদ
১৯শে এপ্রিল২রা মে, ২০১৫
আজিমপুর, ঢাকা

 

 

 

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
জামিল আহমেদ

জামিল আহমেদ

জন্ম: উনিশশো চুরাশি, লালবাগ, ঢাকা। থাকেন ঢাকা, বাংলাদেশ। পেশাঃ বেসরকারি চাকুরি। তর্জমা করেন খেয়াল খুশিতে।
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য