Main menu

ফিকশন: নাম জানা নাই (৩)

কিস্তি ১।। কিস্তি ২ ।।

 

মতিঝিল টু মিরপুর

বালের কি যে নিয়ম, এইদেশে। বাসে বইসা ঘামতে ঘামতে ভাবতেছিল রানা।

যেইদিন বিকালবেলা রানা মেজর রাহাত খানের রুমে গেলো সেইদিনকার দুপুরবেলার ঘটনা। ছয়ই মার্চ। সকাল এগারোটা ছয় মিনিট।

শাহবাগে বাসের মধ্যে বইসা আছে মাসুদ রানা। মতিঝিল সোনালী ব্যাংকের সামনে থিকা ওঠছে সে। মিরপুর পর্যন্ত যাইতে হবে। বিকল্প পরিবহনের শাদা কালারের ছোট বাস। শাদা বলাটা মুশকিল, ময়লা বাস-ই বলা দরকার। কন্ডাক্টার হাড্ডি খিজির। বারবার আইসা রানারে দেইখা যাইতেছে, স্যারের কোন সমস্যা হইতেছে না তো! ওরে একটা চটকানা দিতে ইচ্ছা করতেছে রানার। চোয়াল শক্ত কইরা কইলো, এইটাই লাস্ট টাইম, ফুট এইখান থিকা! ভাড়া তোল ঠিক কইরা! 

শাহবাগ থিকা গাব্বার সিং-এর সেকেন্ড ম্যান কৃষ উঠবে এই বাসে। ঠিক পিছনের সিটের আগে ডানপাশে, জানালার ধারে। এমন একজনরে বসানো হইছে যে শাহবাগ আসার পরে উইঠা যাবে। কিন্তু বাসটা শিশুপার্কের সামনে আইসা আধাঘণ্টা ধইরা দাঁড়াইয়া আছে। পিজিতে ডাক্তাদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হইছে। পাবলিকের নিরাপত্তার লাইগা রাস্তা বন্ধ কইরা রাখছে ট্রাফিক পুলিশ।

শাহবাগের প্যাসেঞ্জার সব নাইমা গেছে। কিন্তু ওই লোকটা নামে নাই। তার মানে ইনফরমেশন ঠিকাছে। একটা সিগ্রেট ধরানো দরকার। ইলেকট্রিক সিগ্রেটটা অফিসে রেখে আসছে। বাইরে এই গরমে ফুচকা খাইতেছে দুইটা মেয়ে। কলেজের ড্রেস পড়া। হাসতেছে একটু পরে পরে। তাকাইতেছে এইদিক-ওইদিক। হিরোইন খাইয়া গাছের নিচে ঝিমাইতেছে চিকনা একটা লোক। তিনটা ঝুড়িতে ফুলগুলা আলাদা করতেছে কয়েকটা বাচ্চা পোলা। ভালো মতো রেকি কইরা নিলো রানা জায়গাটা।

বাসটাও ঝিমাইতে শুরু করলো। এখন ছাড়তেছে। পুলিশও বুঝতে পারছে, ডাক্তাররা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারেই পাবলিক মারতে মারে। পাবলিক মারা’র লাইগা উনাদের রাস্তায় আসার দরকার নাই। মোড়টা ঘুইরাই একটান দিয়া ফুট ওভারব্রীজ পর্যন্ত চইলা আসলো ড্রাইভার। পাশে একটা বন্ধু পরিবহন, পত্রিকায় লেখে হিউম্যান হলার। ড্রাইভারের বয়স খুববেশি হইলে পনের-ষোল। এমন কঠিন চোখ-মুখ মনে হবে বয়স ত্রিশ পার হয়া গেছে। কার উপর যে তার রাগ এইটা সে জানে না। কিন্তু মারাত্মক একটা রাগ আছে তার চোখে-মুখে। হঠাৎ কইরাই জোরে স্টার্ট দিলো আর ভেতরের মানুষগুলা লইড়া-চইড়া উঠলো সবাই। স্পেইসও ক্রিয়েট হইলো, আরেকটা লোক উঠতে পারলো।

ডানপাশের লোকটা অস্থির হয়া উঠলো তখনই। জানালায় উঁকি দিয়া কারে জানি খুঁজতে থাকলো। তখনই দুইদিনের দাড়ি না কাটা শ্যামলা পঁয়তাল্লিশ বছরের একজন লোক তার কাঁধে হাত রাখলো। চমকাইয়া উঠলো সে। কিছুক্ষণ তাকাইয়া থাকলো শ্রদ্ধামিশ্রিত ভালোবাসার চোখে, তারপর সরে আইসা তারে বসার জায়গা কইরা দিলো। যখনই সে নাইমা যাইতে থাকলো, রানা দেখলো একটা পাতলা কাগজের খাকি খাম সিটের ওপর পইড়া আছে। কৃষ তাঁর ওপর বইসা পড়লো। রানা নিশ্চিত হইলো এইটাই তাইলে কৃষ।

লোকটার চোখেমুখে অথরিটির ভাব পরিষ্কার। সারাক্ষণ জানালা দিয়া বাইরে তাকাইয়া আছে। খুব বেশি দিন সম্ভবত হয় নাই যে সে ঢাকা আসছে। দুয়েকবারের চিনা জায়গাগুলারে রিকল করতেছে। শাহবাগ থিকা ফার্মগেট। ফার্মগেটে আইসা আর বাস চেইঞ্জ করলো না সে। ফার্মগেট থিকা শ্যাওড়া-পাড়া পর্যন্ত আসলো। নামার জন্য উঠে দাঁড়াইলো কৃষ। রানাও তার পিছন পিছন। খিজিরও সামনে থিকা আগাইয়া আসছে। একরকম এসকর্ট কইরা, একজনের ধোনের সাথে আরেকজনের পাছা লাগাইয়া, আগাইতে থাকলো তারা। ভাগ্য ভালো এরা কেউই গে না তা নাইলে সিনটা বেশ ইরোটিকই হইতে পারতো বা হইলোই গে, পাবলিকলি পর্ন না হয় আমরা দেখি না, কিন্তু ইরোটিক সিন কি দেখি না! যেমন চলতি রিকশায় গার্লফ্রেন্ডরে কিস করে ইয়াং পোলাপানেরা। মাঝবয়সী মাইয়ারা ফেইসবুকে তাঁদের ইয়াং বয়ফ্রেন্ডরে কয়, কুলফি আইসক্রীম খামু আমি। এইরকম।

বাস থিকা রাস্তায় নামার লাইগা যেই পা’টা বাড়াইলো কৃষ, খিজির তার পা’টা পিছনের দিকে উঁচা কইরা দিলো। কৃষ যেহেতু সামনের দিকে তাকাইয়া কাউরে খুঁজতেছিলো সে ভাবলো যে নিজেই ষ্টেপ’টা মিস করছে।

যেমন মিস করছে আসাম ও ত্রিপুরা। ওরা যদি তখনই পূর্ব-বাংলার সাথে চইলা আসতো পাকিস্তানে, আজকে তারা ইন্ডিপিডেন্ট প্রভিন্স হিসাবেই থাকতে পারতো। ১০০ বছর পরে আইসা এখনো ‘বাঙালি হঠাও’ আন্দোলন করা লাগতো না! রানা ভাবে। কানা রে কানা, মানুষ ত প্রকৃত বস না, মেশিনই হইলো আসল! মাও-এর ‘বন্দুকের নলই আসল ক্ষমতার উৎস’ এই বাক্যের কারেক্ট ইন্টারপ্রিটেশন নকশালবাদীরাও যেমন এখনো করতে পারে নাই। অ্যাক্টিভিস্টরা তো এখন তাদেরকে ঘেরাও কইরা ফেলছে গরম গরম বাতাস দিয়া। এরা কি আর কোন কূল-কিনারা করতে পারবে রিজিওনাল পলিটিক্সের?

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

খুচরা আলাপ

১.

“আমার অস্ট্রেলিয়ান তত্ত্বাবধায়ক বললেন, ‘… তোমার ফাইন্ডিংসে একটা বিষয় স্পষ্ট যে অস্ট্রেলিয়ায় ইমিগ্রেন্ট বাংলাদেশি মায়েরা কিশোরী মেয়েদের প্রিম্যারিটাল সেক্সুয়্যাল এক্সপোজার নিয়ে ভীষণ চিন্তিত থাকে। তোমার দেশে কি প্রিম্যারিটাল সেক্সুয়্যালিটি নাই?’
আমি জবাব দিলাম আছে কিন্তু এটা একটা ট্যাবু এবং নারী ও তার পরিবারের সামাজিক সম্মান এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ফলে একে সবসময় বাধা দেয়া হয়।
তত্ত্বাবধায়ক বললেন, ‘এটা তোমরা কিভাবে আটকাও?’
আমিঃ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসনের মাধ্যমে।
তত্ত্বাবধায়কঃ কিভাবে?
আমিঃ একটা উদাহরণ দিতে পারি যে আমরা সাধারণত সেক্সুয়াল ইস্যু নিয়ে অবিবাহিতদের সামনে আলোচনা করিনা এবং বাচ্চা কিভাবে হয় জানতে চাইলে শিশুদের বলি তাদেরকে হাসপাতাল অথবা ফুলের বাগান থেকে আনা হয়েছে।
তত্ত্বাবধায়কঃ ওয়াও! তোমরা কি এটা বন্ধ রাখতে পারছো সমাজে?
আমিঃ না”

এইটা আমার এক ফেছবুক ফেরেন্ডের স্ট্যাটাছ, উনি এইটা কতটা পাবলিক করতে চান, জানি না, তাই নামধাম দিলাম না এইখানে, ততো দরকারও নাই এই বেপারে আমার আলাপে।

বাংলাদেশের মানুশের ছেক্স-লাইফ লইয়া এইখানে একটা আইডিয়া আছে; বিদেশিরা এমনে একটা আইডিয়া পায়, তারা ধইরাই নেয় জে, নিজের কালচারের বেপারে তো বাংলাদেশিদের জানারই কথা! ওদিকে, এই শব বেপারে আমাদের কির্টিকেল চিন্তাভাবনার শুরুটাই হয় আশলে কতক বিদেশি চিন্তার ছোবল খাবার পরে! মানে হইলো, আমরা পেরায়ই জেই নজর দিয়া দেশটারে দেখি, শেই নজরটা পয়দাই হইতে পারে লোকাল নজর মেছমার হইয়া জাবার পরে! এবং ঐ বিদেশি চিন্তার ছোবলে পয়দা হওয়া নজরটাই বিদেশি লোকের কাছে লোকাল নজর হিশাবে ধরা দেয়! এমনে চিন্তার একটা ছাইকেল ঘুরতেই থাকে।

কিন্তু আমরা শবগুলা পক্ষ হুশিয়ার হইলে আমাদের নজর জেমন আরেকটু ছাফ হইতে পারে, অমন ধইরা নেবার গলদেও হয়তো পড়তে হয় না!

অমন নজর এবং ধইরা নেবার ঘটনারেই বরং কির্টিকেলি দেখা দরকার আমাদের! কেন দরকার শেইটা বাংলাদেশের মানুশের ছেক্সলাইফ আরেকটু খেয়াল করলে খোলাশা হইতে পারে।

দেশের মা-বাপেরা নিজেদের পোলামাইয়ার ইয়ারদোস্তদের কেমনে দেখে? অনেক শময়ই পছন্দ করে না; কিন্তু পোলাদের পোলা ফেরেন্ড আর মাইয়াদের মাইয়া ফেরেন্ড থাকারে খুবই নরমাল ভাবে শমাজ; মা-বাপ-ফেমিলির চাওয়া ছেরেফ এই জে, পোলামাইয়ার ইয়ারদোস্তরা জেন নেশাখোর না হয়, লেখাপড়ায় ভালোর দিকে থাকে, মোটামুটি ভালো ফেমিলির ভালো ভালো পোলামাইয়া হয় জেন। এবং পোলাদের পোলা দোস্ত এবং মাইয়াদের মাইয়া দোস্তরা একজন আরেকজনের বাশায় জায়, রাইতে থাকে, মা-বাপ আপত্তি করে না। কখনো এমনকি তারা চায়ও এদের, তাদের দরকারি নজরদারিটা পোলামাইয়ার দোস্তদের জেরা কইরা অনেকখানি বোঝার চেশ্টা করে, কাদের লগে মেশে শেই খবরটা রাখতে চায় মা-বাপ।

এরা ঘুমায় কই? এক লগে, এক বিছানায়, এক খেতার তলে। দুয়ার আটকাইয়া দিতে পারে তারা, শারা রাইত তো বটেই, তার বাইরেও ঘন্টার পর ঘন্টা এক লগে থাকতে পারে তারা। এই শময়টা কি জৌনশম্ভব? আলবত। কে করে, কে করে না, শেইটা বেপার না, কিন্তু করতে চাইলে বাপ-মা-ফেমিলি-শমাজ কেউই আটকায় না, একই লিংগের ইয়ারদোস্তদের হোমোছেক্সুয়ালিটি কি তাইলে পারমিট করে শমাজ? বেপারটা পারমিশনের না, ঠেকাবারও না, শমাজ ছেরেফ মাথাই ঘামায় না ঐটা লইয়া! এমনকি রাস্তায় হাত ধইরা হাটা, কান্ধে-কোমরে হাত দিয়া হাটা একই লিংগের মানুশের জন্য নরমাল বাংলাদেশে। এমনকি ভাতার-বউরাও পার্টনারদের ইয়ারদোস্তদের লগে এমনে থাকায় আপত্তি করে না বেশিরভাগ শময়, করলেও শেই অন্য ইশু–পয়শাপাতি উড়ানো বা নেশা ইত্যাদি, ছেক্স পেরায় নাই। আগে বা এখনো গেরামের দিকে একই নামের পোলা-পোলা বা মাইয়া-মাইয়া ‘মিতা’ পাতাইতো, তারা অমনে এক লগে ঘুমানো থিকা হেটারোছেক্সুয়াল পিরিতি বা বিয়ায় হেল্প করতো, বউ’র লগে ঝগড়া কইরা মিতার লগে জাইয়া ঘুমাইতো, থাকতো দিনের পর দিন! এর লগে তুলনা করেন তো ছো কল্ড জৌন-লিবারাল দেশগুলার! পোলামাইয়ারা নিজের নিজের মিতা-দোস্ত লইয়া অমনে থাকতে থাকলে, একজন আরেকজনের কোমরে হাত দিয়া দুই পোলা ঘুরতে থাকলে কি ধইরাই নেবে না জে তারা হোমোছেক্সুয়াল? এমন একটা ছবি হেটারোছেক্সুয়াল কোন মহাপিরিত ভাইংগা চুরমার কইরা দিতে পারে তাদের!

এইখান থিকা তাইলে বাংলাদেশের এই মানুশের ছেক্সলাইফের বেপারে কি ডিছিশন লইবেন আপনে? দেশে বাইছেক্সুয়ালিটি কমন, নরমাল এবং শমাজ এইটা লইয়া মাথাই ঘামায় না! এখন এই হক জদি দেশের মানুশের অলরেডি থাকে কাফি, তাইলে দেশে ছো কল্ড ‘এলজিবিটিকিউ’ মুভমেন্টের মানে কি, এমন মুভমেন্টের উপর শমাজ কেন হামলা করে আবার!

কিন্তু ঐদিকে জাবার আগে দুয়েকটা কথা কইবার আছে; উপরের আলাপে ছেক্সের জেই মস্ত ভুবন দেখাইলাম, শেইটা তাইলে ‘বিয়ার আগে বা বিয়ার বাইরে বা এক্সট্রা-ম্যারিটাল’ ছেক্স হইতেছে কিনা? এবং এইটাই না কেবল, বুড়া মহিলাদের কাছে পোলাদের জাতায়াত লইয়াও মাথা ঘামায় না শমাজ; বুড়া মানে কি? খেয়াল করলে দেখবেন, এই বুড়া মানে মেনোপজ হইয়া জাওয়া মহিলারা! তাইলে বরং পোশ্নটা উল্টা কইরা জিগাইতে পারি আমরা–বিয়ার বাইরের কেমন কিছিমের ছেক্স লইয়া মাথা ঘামায় শমাজ? এর জবাব হইলো, মাশিক জামানায় আছে এমন মাইয়াদের হেটারো-ছেক্সুয়াল ছেক্স লইয়া মাথা ঘামায়, এইটা ঠেকাইতে চায় এবং বাংলাদেশে জৌন-লিমিটেশন মানে এইটাই, এর বাইরে খুব নাই।

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

পলিটিক্যাল আক্কেল

কয়েকটা বেপারে কিছু কথা কই আমি মাঝে মাঝে, কেউ খুব একটা পাত্তা দেন না; তাও কইতে থাকি, টিভি অ্যাড আমি একটা, চলতেই থাকবো ইন এভরি বেরেক :) ! আজকের ইশু হইলো, আমাদের ভোকাবুলারি, পলিটিক্যাল টার্মিনোলজি।

আমাদের ভোকাবুলারি রিডিজাইন করা দরকার। জেমন ধরেন, নিজেদের ‘বাম’ নামে পরিচয় দেন অনেকে, বুক ফুলাইয়া বা নর্মাল ফোলা বুকেই কইতে থাকেন, ‘আমি বাম’, অনেকে অবশ্য নিজেরা কন না, অন্যরা তাদের কন, কিন্তু তারা শেইটা মাইনা নেন, আপত্তি করেন না। আমি কইছি, ‘বাম’ পরিচয়টা বাংলাদেশে রাজনিতির জন্য শুবিধার না; কারন, আমজনতার কাছে ‘বাম’ মানে কুফা। তেমনি ‘থাম্বছ্ আপ’ও আশলে দেশাচারের খেলাপ, বুইড়া আংগুল দেখানোর অর্থ ‘পাত্তা না দেওয়া’, ‘তুই আমার বালও ফালাইতে পারবি না’র লগে লোকে বুইড়া আংগুল দেখাইয়া থাকে, কথা আর ভিজুয়ালে মিলায় ঐভাবে।

আমি রেপকেও জুলুমের ছাব-ক্যাটেগরি হিশাবে দেখতে কইছি; এইখানে দুই কথায় কারনটা আরেকবার কইতেছি: দেশে জে কোন একটা রেপের ইশুতেই বাড়তি কতগুলা কথা হাজির করে কতগুলা লোক, কখনো রেপিস্টের দালালি করতে, কখনো ধান্দাবাজি হিশাবে, কখনো আশল আলাপটা ছেরেফ আউলা কইরা দিতে, কখনো বা ধর্মরেও হাজির করে কেউ কেউ; জে এংগেল থিকাই হৌক, রেপের বেলায় দেশে ‘ভিকটিম ব্লেমিং’ করা লোক এত বেশি জে, শামাল দিতে হিমশিম খাইতে হয়! এখন, রেপের বেপারে আপনে জা ভাবেন, তা তো শবাইরে ভাবাইতে পারবেন না দুই দিনেই, কিন্তু রেপকে জদি জুলুম হিশাবে দেখাইতে পারেন তাইলে ঐ ‘ভিকটিম ব্লেমিং’ ঘটার উপায় থাকে না! কেননা, জুলুম দায় কার? জালেমের আলবত, দায় কার শেইটা ফয়ছালার পরেই জুলুম পাইতেছেন, জুলুমের দায় মজলুমের হইতেই পারে না! তাই দেশের পাবলিক ডিছকোর্ছে রেপকে জুলুমের ছাব-ক্যাটেগরি হিশাবে হাজির করাই আক্কেল মনে হয় আমার, তাতে খোদ ‘ভিকটিম ব্লেমিং’ করা কতগুলা লোককে আপনে লগেও পাইতে পারেন!

এখন আরেকটু খেয়াল করেন, এই জে ‘বাম’ বা ‘থাম্বছ্ আপ’ পেরাকটিছ করা লোকদেরই বিরাট একটা শরিক কিন্তু এই জামানার বহু চিন্তার লগে পরিচিত, তারা অনেকেই চিন্তায় পোস্ট-কলোনিয়াল হইয়া উঠতে চায়। তাইলে ঘটনাটা কি আশলে, এই শব টার্মের বেপারেও পোস্ট-কলোনিয়াল হইয়া ওঠার জে কোন মামলা থাকা শম্ভব, শেইটা কি ভাবেই না তারা! ইউরো-ছেন্ট্রিজম নামের একটা জিনিশ জে তারা ভাবেন, এই শব টার্মকে কি শেই ইউরো-ছেন্ট্রিজমের পুরা বাইরের মালামাল ভাইবা বইশা থাকেন তারা!?

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.
An error occured during creating the thumbnail.