Main menu

কালা চাড়ালের পাছায় তুর্কি পায়ে আর্য লাত্থি

দেশে সুলতান সুলেমান জনপ্রিয়। জনতার ভালো লাগতেছে, এই কথাটা যতটা বুঝলেন তারচে বেশি না বোঝার কথা! মানে কি?

সিধা বুঝতেছেন যে, বহু মানুষ সুলতান সুলেমান পছন্দ করে, দেখতেছে। কিন্তু বুঝলেন না যে, জনতা একাট্টা জিনিস না তো কোন, জনতার শরীক বহু, ধর্ম-বর্ণ-জাতি-লিঙ্গ-ক্লাস ভাগাভাগি আছে জনতার মাঝে। ‘জনপ্রিয়’ কথাটায় আপনে তাইলে বুঝলেন না যে, জনতার কোন ভাগে কতটা জনপ্রিয় সুলতান সোলেমান, জনপ্রিয়তায় আকাশ-পাতাল ফারাক আছে কিনা জনতার বহু শরীকের ভিতর। ফারাক থাকুক আর না থাকুক, জনতার একেকটা ভাগ কোন একটা জিনিস একেক কারণে নেয়, সবগুলা ভাগ একই কারণে নেয় না বা খায় না। আপনে তাইলে এইটাও বুঝলেন না যে, জনতার কোন ভাগে কেমনে ঢুকলো সুলতান সোলেমান, কোন ভাগ যদি একদমই না দ্যাখে বা না নেয়, তাইলে কেন ঢুকতেই পারলো না, বা নিলোই না!

সুলতান সোলেমানে কি কি আছে, জনতার কোন ভাগ কেন নিতেছে, কোন ভাগ নিলোই না–এগুলি বোঝা দরকার আমাদের; এগুলি বোঝার ভিতর দিয়া আমরা জনতার ভাগগুলি বুঝতে পারবো আরো সোজাসাপ্টা, আমাদের আর্ট-কালচারের প্রোডাক্ট কেমন হইতেছে, জনতা কেন কোনটা খাইতেছে বা খাইতেছে না, জনপ্রিয় হইলেও কোনটা আমাদের নেওয়া ঠিক হবে না বা নেওয়া উচিত, এইসব আরো ভালো কইরা বুঝতে পারবো আমরা।

দেশের আদিবাসিদের মাঝে সুলতান সুলেমান কতটা জনপ্রিয়? হিন্দুরা কতটা দ্যাখে? মোসলমানরা? ইংরাজি মিডিয়ামে পড়া জনতা বা আমেরিকান সিরিয়ালের ফ্যান যারা? মাদ্রাসা পড়ুয়ারা? পোলা-মাইয়া ফারাক আছে? অশিক্ষিতরা? ঠিকঠিক হিসাব জানি না আমি, জনতার এই সব ভাগাভাগি হিসাবে রাইখা হইছে তেমন কোন জরিপের কথাও জানি না। ঐ ভাবে আলাপের উপায় নাই; তারচে আমরা কনটেন্ট লইয়া আলাপে যাই, দেখি সুলতান সুলেমানে কি কি আছে, সেই সব মালমশলা কার ভিতরে কতটা ঢুকতে কামে লাগতেছে তার একটা স্কেচ আঁকার চেষ্টা করি।

আমাদের ইতিহাস ভাবনা মোটামুটি কম্যুনাল, তাতেও আবার ভেজাল আছে। বাংলা লিটারেচারে মোসলমানদের অবদান আলোচনা করি, হিন্দুদের অবদান টপিক হিসাবে পাই না, খৃস্টানদের অবদানও টপিক হইয়া ওঠে না, বৌদ্ধরা হয়তো একটু আলাপে আসেন! মোসলমানদের শাসন হিসাবে সুলতানী আমল আর মোঘল আমল এক হইয়া থাকে, ইংরাজ শাসন আবার খৃস্টানের শাসন হিসাবে দেখতেই পাইতেছি না! এমন ইতিহাস ভাবনা মনে লইয়া আমরা কি না দেইখা পারি যে সুলতান সুলেমান একজন মোসলমান!

সুলতান সুলেমান তুর্কি বাদশাহ। ইতিহাসের এমন এক সময়ের বাদশাহ্ যখন মোসলমানদের গৌরবের কাল চলতেছে বইলা মনে করে বহু মোসলমান। দিল্লিতে তখন মোঘল এম্পায়ার তুমুল উঁচায় যাইতেছে, পশ্চিম আফ্রিকায় মোসলমান বাদশার বিরাট এম্পায়ার আছে, ইরানের শাহ্ কয়েক হাজার ঘোড়া আর সেনা দান করতে পারেন মোঘল বাদশা আকবরের বাপ হুমায়ুনকে, হুমায়ুন সেই দানে দিল্লি ফেরত পাইতে পারেন। সুলতান সোলেমান ইউরোপের রোমান এম্পায়ারের দখল কমাইয়া দিতেছে, ইউরোপের অনেক খৃস্টান দেশ সুলতানের দখলে যাইতেছে। গৌরবের সেই কাহিনি টিভির জন্য বানাইছে তুরস্কের নতুন গর্ব, মোসলমানদেরো গর্ব প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের আমল, যেই এরদোয়ান ন্যাটোরে চ্যালেঞ্জ করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে ধামকি দেয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের লগে টক্কর দেয়।

সুলতান সুলেমানে তাই খান্দানি মোসলমানের গর্বের ইতিহাস আছে, দেশের মোসলমানের ভিতর ঢোকায় এইটা কামে লাগছে মনে হয়। ওদিকে, যারা ঠেকাইতে চাইতেছেন, তারা টের পান নাই এই খান্দানি মোসলমানির কাহিনি? এইটা ঠেকাইতে চাইবার পিছে তাই দেশের একদল সেক্যুলার, কোলকাতা এবং দিল্লির স্বার্থ আছে! কিন্তু এইখানে আরো কিছু ব্যাপার আছে, দীপ্ত টিভি খেলাটা আরেকটু জটিলভাবে খেলছে!

সুলতান সোলেমানের ডাবিং করা হইছে কোলকাতার বাংলায়; দেশে বেসরকারি টিভি চ্যানেল আসার পরে কোলকাতার এই বাংলাটা বাংলাদেশে কোণঠাসা হইতেছিল; সেলিম আল দীন বা সালাউদ্দিন লাভলু বা ফারুকী গং কোলকাতার ঐ বাংলার ভাত উঠাইয়া দিছিল বাংলাদেশে; এফএম রেডিও আরেক দফা হামলা চালাইছে; বাংলা একাডেমী নতুন এই বাংলাদেশী বাংলা ঠেকাইতে আইন করতে চাইছে বইলা দেখছি আমরা, ‘শুদ্ধ’ বাংলা উচ্চারণ, ইংরাজি শব্দ উচ্ছেদের কথাবার্তা শুনছি আমরা। দীপ্ত টিভি খান্দানি মোসলমানের কাহিনি দিয়া হারতে থাকা কোলকাতার বাংলাটার পক্ষে চাল দিছে একটা–অসামাজিক সংস্কৃত শব্দ আর শান্তিনিকেতনি ‘শুদ্ধ’ বাংলায় করা হইছে ডাবিং। এইখানে আইসা বাঙালি মোসলমান আর কোলকাতার বাংলাবাদী সেক্যুলাররা মিলতেছে, দীপ্ত টিভি এই দুইটা দলকে এক প্লাটফর্মে উঠাইতে পারছে! এ যাবত ভাবাভাবিতে লোকে ভাবতো, ঐ দুইটা দলের ভিতর দুশমনি আছে, কিন্তু বাংলায় ডাবিং করা সুলতান সুলেমান বেশ মিলাইতে পারতেছে দল দুইটারে! আমরা হয়তো দেখবো, সুলতান সুলেমানের ঘটকালিতে ইসলামী ব্যাংকের পয়সায় নেক্সট পয়লা বৈশাখে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ও হইতে পারতেছে :) !

কিন্তু মোসলমানি আর বাংলার বাইরেও সুলতান সুলেমানের অর্থ আছে; আমেরিকান সিরিয়াল ‘গেম অব থ্রোনস’-এর অডিয়েন্স সুলতান সুলেমানের ভিতর ঐ সিরিয়ালের ঘ্রাণ পাইবেন, থিম সং/সাউন্ডট্র্যাক থিকা ভঙ্গি–গেম অব থ্রোনস্-এর টেস্ট অনেকটা পাইতে পারেন সুলতান সুলেমানে, এইখান থিকা সুলতান সুলেমানরে গেম অব থ্রোনস্-এর নকল ভাবা শুরু কইরেন না আবার, সুলতান সুলেমানের ব্রডকাস্টিং গেম অব থ্রোনস্-এর ৪ মাস আগে শুরু হয়। এইটা বরং কোন অডিয়েন্সকে ধরতে চাইতেছে সেইটা বোঝার সুবিধা দিতে পারে। তবে, ১৯৯৬ সালে আমেরিকায় George R. R. Martin-এর A Song of Ice and Fire সিরিজের পয়লা কিস্তি A Game of Thrones ছাপা হইয়া বাইর হয়, গেম অব থ্রোনস্ ঐ সিরিজের ভিজ্যুয়ালাইজেশন, সুলতান সুলেমানের ইন্সপিরেশনের লগে ঐ বইয়ের যোগাযোগ বিষয়ে কোন অনুমান অদরকারি, কোন একটা হিস্ট্রিক্যাল এরায় একই ধরনের আর্টিস্টিক আর্জ হইতে পারে দূর দূর লোকেশনে।

 

 

 

সে যাই হোক, তাইলে, ইংরাজি মিডিয়ামের লোক বা ইংরাজি ভক্তদের মাঝেও ঢোকার সম্ভাবনা আছে সুলতান সুলেমানের, তুরস্কে ঐটা বানাবার মাঝে সেই ইনটেনশন/মতলব আছিলোও! সুলতান সুলেমান তাইলে এই দলের জন্য বাংলা শেখার ভিডিও টিউটোরিয়ালও, বাংলা একাডেমীর টিপিক্যাল বাংলা মাস্টারি যেন, যেমন হবার কথা উদীচি-ছায়ানটের আবৃত্তি/রিডিং ওয়ার্কশপ!

আরো একটা ব্যাপার সুলতান সুলেমান লইয়া আমাদের আলোচনায় ধরা লাগবে। একটু ব্যাকগ্রাউন্ড দিলে কইতে সুবিধা হয় আমার!

দেশে গায়ের রঙ আর হাইটের ইজ্জত জানি আমরা। রূপের এই ভাবনা দেশের নায়ক-নায়িকাদের দিকে চাইলে অবিকল পাওয়া যায়। এর লগেই জড়াইয়া আছে এরিয়ান আর মিডল ইস্ট থিকা আসা লোকের ইজ্জত। বিয়ার বাজার থিকা পলিটিক্স–অভিজাত/বনেদি/খান্দানের ভাবনায় রঙ-হাইট-খাড়া নাক আসল ফাউন্ডেশন। উঁচা বর্ণের হিন্দুর লগে মোসলমানরা এরিয়ান হিসাবে ফাইট দিতে মিডল ইস্ট থিকা আসা আশরাফ হইয়া ওঠেন।

বাংলাদেশের নায়ক-নায়িকা যেমন যেমন রঙ-নাক-হাইট চাইতে পারেন, দেশে রূপের যেই রেসিস্ট/বর্ণবাদী ভাবনা রুল/শাসন করতেছে তার সব সুলতান সোলেমানে পাওয়া যাইতেছে, উঁচা বর্ণের এরিয়ান গর্বে ফোলা হিন্দুর লগে মোসলমানদের ফাইটটা জমজমাট কইরা তুলছেন সুলতান সুলেমান, দরকারি কনফিডেন্স দিতেছেন, আর ফেয়ার এন্ড লাভলী তো আছেই :) !

বাংলাদেশের টিভিতে হাসান মাসুদ বা চঞ্চল বা মোশাররফ নায়ক হইতে পারছিলেন, তাতে ফর্সা আর উঁচা লোকদের গা জ্বলতেছিল দেদার, সুলতান সুলেমানের রঙ আর হাইট আর বুলি ওনাদের পাছায় বেদম লাথি দিয়া টিভির পর্দা ফাটাইয়া বাইর কইরা দিতে পারলে আরাম লাগারই কথা। ঢালিউডে আগে মাথিন নামে আদিবাসী এক নায়িকা আছিলেন, তারে তো খেদাইছিই, পরেও আইতে দেই নাই আর কাউকে, এখন যে কালা কালা কতগুলা বাইট্টা মাল আইছে তাগো খেদাইতে কামে লাগবে সুলতান সুলেমান!

তবে সহি আরাম কি আছে জগতে! লম্বা-ফর্সা মাল তো কোলকাতার উঁচা বর্ণের ভিত্রেই ম্যালা পাওয়া যায়, ‘শুদ্ধ’ উচ্চারণও তো, তুর্কি মাল কেন লাগে! সুলতানের সিজদা তো আরামের ঘটনা না কোন! হিন্দিঅলাদের মেজাজ আরো খিচড়াইবে; বাংলা বা তুর্কি বা মোসলমান–কোনটাতেই আরাম নাই হিন্দির আব্বাদের; মুম্বাই/দিল্লিতে মোঘল আকবর এখন ভিলেন, রাজপুত রানাপ্রতাপ সিং নায়ক। তাতে সমস্যা তো নাই কোন, সমস্যা হইলো– ভিলেন আকবরের ১ নম্বর দোষ, সে মোসলমান, সেই কারণেই স্যাডিস্টিকও যেন!

সুলতান সুলেমান লইয়া এমনে বহু পক্ষের বহু সুবিধা-অসুবিধা। কেউ ব্যান করার দাবি করেন, কেউ অনেক অনেক মান আর ‘শুদ্ধ’ বাংলা পাইতেছেন, কেউ পাইতেছেন খান্দানি গৌরবের মশলা। তাইলে আমরা কেমনে দেখবো? তার আগে, আমরা কারা?

 

 

আমরা গড় বাঙাল পাবলিক। আমরা হইলাম, হাইট বা গায়ের রঙের ইজ্জতের বিপক্ষে যারা পলিটিক্স/আর্ট-কালচার করতে চাই, বাংলাদেশের কমন বাংলায় যারা কথা কই, ভাবি, লিখি, নাটক বানাই। আমরা হইলাম বর্ণবাদী/রেসিস্ট উঁচা বর্ণের কোলকাতার কাছে চাড়াল বাঙালি হিন্দু-মোসলমান-খৃস্টান-বৌদ্ধ বা আর কোন ধর্মের লোক। গোশতের ঝোল দিয়াই হয়তো দুই প্লেট ভাত খাইতে পারি, পাতলা ডাইলই হয়তো জিন্দেগির পয়লা আর আখেরি স্যুপ! আমরা মানে এমন এক কালেকটিভ/জনতা যার অনেক অনেক শরীকের অনেক অনেক পরিচয় আছে, তবু কোনটাই আর কোনটারে ঠাইসা ধরতে চাইবে না!

এমন এক ইমাজিনারি বা জোহরের ওক্তের খোয়াবে পাওয়া বিরাট আমরা’র সেল্ফ সিলেক্টেড হামবড়া নেতা আমি :) ! আমি আরেকটা ব্যান করতে স্টেটকে দাওয়াত দিতে চাই না, অলরেডি মিছিল-মিটিং-কথা-আড্ডা-পার্কে ঢোকা-পাবলিক প্রোপার্টি ইউজ করা-ফেসবুক স্ট্যাটাস-ফূর্তি-লেখা-আঁকা-ক্রিটিক-লুঙ্গি পরা-হাসা-রাইতে ঘোরা-পার্লামেন্টের স্পেসে ঢোকা-ব্লগ-বই-পিরিত-রিক্সা-ভিন দেশের ক্রিটিক-আদালত লইয়া কমেন্ট-নিজের বুলিতে কথা কওয়া-শহীদ মিনারে জুতা এমন কত কি ব্যান করা তো আছেই! আর কত ব্যান করতে সরকার ডাকবো!

কিন্তু দেশি টমেটোতে ১০০% ভ্যাট দিতে হবে আর বিদেশি টমেটো আমদানিতে সাবসিডি দেওয়ার পক্ষে কেন থাকবো! দেশের ট্যাক্স-পেয়িং সিটিজেনদেের প্রোটেকশন দুনিয়ার সব দেশেই কমন, বিদেশি মালে উঁচা হারে ভ্যাট/ট্যাক্স দেবার আইন সব দেশেই থাকে।

এর বাইরে, আমরা যা যা করতে পারি না তা কেন করতে পারি না সেইটা জিগাইতে চাই। আমি জিগাইতে চাই, এরশাদ বিরোধী মুভমেন্ট লইয়া আমরা কেন একটা সিরিয়াল বানাইতে পারি না? ক্যামেরার অভাব? ডাইরেক্টর? বাজেট? সেন্সরশীপ?

ইশা খাঁ লইয়া সুলতান সুলেমান টাইপ সিরিয়াল বানাইতে কইতে চাই, সেইখানে ইশা খাঁ হইবেন ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি একজন শ্যামলা বাঙাল, উনি কথা কইবেন গলির ভ্যানে লাল শাক-বেগুন বেচা দুইজন পিরিত করে যেমনে, সেই বাংলার টানে,গ্রামের শালিসিতে কমন মাতবরের কমন বাংলা ভঙ্গিতে, নোয়াখালির শিক্ষিত মিডল ক্লাসের পোলা বগুড়ার রিক্সাঅলা মাইয়ার ইন্টারভিউ নিবে যেমনে তেমন বাংলা ভোকাবুলারিতে। আমি চাই ইশা খাঁর ডাইরেক্টর আর স্ক্রিপ্টরাইটার টিমে আর্কিওলজি, সমাজবিজ্ঞান, ইকোনমিক্স, ওয়ার হিস্ট্রি, ইতিহাস, ধর্ম, ফ্যাশন বা আর্ট হিস্ট্রির স্পেশালিস্ট রাখার দরকারটা বুঝবে, প্রোডিউসার বুঝবে খরচের খাতের প্রায়োরিটি।

আমি কল্পনা চাকমারে লইয়া টানটান থ্রিলার দেখতে চাই একটা। আমি চাই শাসকের গদির স্বার্থে থাকা সব সেন্সরসীপ/ব্যান উইঠা যাক। ঐসব ব্যান যদি না থাকে আমরা ফাইট করতে পারবো, শুরুতেই পয়সাঅলারা বুঝবে না দরকারগুলি, কিন্তু পয়সা বা এলেম দুইটাই ক্রাউড ফান্ডিং দিয়া চলা শুরু করবে, টেনশন নিয়েন না।

 

২ ডিসেম্বর ২০১৬

 

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
রক মনু

রক মনু

কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য