Main menu

এডিটোরিয়াল: ভারতের রাজনীতি অথবা দুনিয়ারই তো…!

২৩ ডিসেম্বর ২০১৪//

বাংলাদেশে পাওয়ারফুল সিনেমা বানাইতে শুরুতেই আপনার বলিউড বুঝতে হবে। বলিউড আর বলিউডের পাওয়ার বোঝার জন্য ভারতের রাজনীতির লগে বলিউডের রিলেশন বুঝতে হবে।

বলিউডি আর্ট বোঝার সুবিধার জন্য কংগ্রেসী আর বিজেপি–এই দুই ধরনের মুভি চিনতে পারার চেষ্টা করতে পারেন।

কংগ্রেস বা বিজেপি বলিউড চালায়, এমন না বিষয়টা; বরং বলিউড ডিটারমাইন করে অনেকখানি যে নির্বাচনে কে জিতবে!

বলিউডে বিজেপির শুরু মে বি ১৯৫২ সালে আনন্দমঠ সিনেমা দিয়া; আর ক্লিয়ার-কাট কংগেসী সিনেমার শুরু ১৯৭৫ সালে শোলে দিয়া। কংগ্রেস বা বিজেপির রাজনীতির প্রতি পিপলের কনসেন্ট তৈির করার মতো পাওয়ারফুল সিনেমা আগে পাতলা পাতলা হইলেও ২০০১ থেকে বেশ ঘন হচ্ছে।

২০০১ সালে তৈরি হয় বিজেপি মুভি নায়ক; কিন্তু ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই পাওয়ারফুল কংগ্রেসী সিনেমা আইসা পড়ে মুন্নাভাই এমবিবিএস (২০০৩)। ২০০৪ সালে বিজেপি মুভি আসে একটা–ম্যায় হু না; কিন্তু নির্বাচনে এইটা খুব ভূমিকা রাখতে পারে নাই; কারণ, এইটা যখন মুক্তি পায় তখন নির্বাচন অর্ধেক হইয়া গেছে; আরেকটা সমস্যা ছিলো–এইটা বিজেপি মুভি হইলেও বেশ কিছু কংগ্রেসী এলিমেন্ট আছে! সম্ভবত এই কারণে যে, এই সিনেমার মাস্টারমাইন্ডরা ডিরেক্টর ফারাহ খানসহ কিছু মোসলমান।

২০০৪ সালের নির্বাচনে জিতলো কংগ্রেস।

পরের নির্বাচন হয় ২০০৯ সালে; তার আগে ২০০৬ সালে একটা বিজেপি মুভি আর একটা কংগ্রেসী মুভি মুক্তি পায়: কৃশ এবং লগে রহো মুন্না ভাই। কৃশ অনেকখানি বাচ্চাদের সিনেমা, বিজেপি বাচ্চা হইছে তারা, পরে কামে দেবে; কিন্তু ভোটার হয় নাই তখনো। তাছাড়া পরে মুক্তি পায় মুন্না ভাই সিক্যুয়েল, কৃশ আগে। ২০০৯ সালে কংগ্রেস টাইনা টুইনা আবার জেতে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে সফল কংগ্রেসী মুভি নাই; কিন্তু একাধিক বিজেপি মুভি আছে: রা ওয়ান এবং কৃশ-৩। পিকে কংগ্রেসী মুভি, বাট মুক্তি পাইলো নির্বাচনের পরে! ততক্ষণে বিজেপি জিতে গেছে, নরেন্দ মোদী প্রধানমন্ত্রী অলরেডি।

এমন পাওয়ারফুলই তো মুভির হওয়া উচিত একটা আর্ট ফর্ম হিসাবে, আমরা না হয় মেঘমল্লারে থাকা কন্টিনিউ করলাম আরো কিছুকাল! পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

Bengali, Spoken and Written. Sayamacharan Ganguli (1877). শেষ কিস্তি ।।

কিস্তি ১ ।। কিস্তি ২ ।।

………………………………………..

পুরাটা একটাই লেখা। সো, কিস্তি ১ থিকা পড়া শুরু করাটা বেটার। আর আগের দুইটা কিস্তি পড়া থাকলে এইটা থিকাই শুরু করতে পারেন।

………………………………………..

The points discussed, and the results arrived at, may here be summarized. The  grammar of written Bengali differs considerably from the grammar of current Bengali. For familiar words understood by all, everyone who learns to read has to learn Sanskrit substitutes, and in many cases old Bengali substitutes likewise, which, having dropped out of colloquial speech, still retain their place in the language of books. The Sanskrit words in use in Bengali books are for the most part Sanskrit only to the eye, but none to the ear; for, though written just as they are in Sanskrit, they are pronounced in such a way is to make the almost unintelligible to those unfamiliar with the corrupt pronunciation of Sanskrit that prevails in Bengal.

All this of course has not been the work of a day. It has been the slow growth of ages. It has grown out of the mental characteristics, and the historical antecedents of the race. The question now is, whether the present is a state of things likely to last. The conviction of the present writer is that a change of a radical character is inevitable. The desirableness of a change is indeed so patent, that it is really matter for wonder that the attachment to the established order of things is still so strong that Sir George Campbell’s now historically famous language minutes evoke all but universal denunciations from Bengalis.

Bengali, in common with the other Indian vernaculars, derived from Sanskrit, has borrowed most freely from the latter, under influences similar to those which have caused Arabic to be so largely drawn upon by Persians and Turks, and Latin and Greek by the nations of Western Europe. Sanskrit has been in India the language of literary culture and of religion. The Brahman priesthood has always affected a Sanskrit phraseology. Reverence for Sanskrit as a sacred language, however, will be a factor of continually decreasing importance as time rolls on. The Hindu religion will inevitably breakup before the onset of western science, and with the Hindu religion a large part of the reverence inspired by Sanskrit will disappear. It will ever command, however, another kind of reverence. Its absolute importance as a language, and its rich literature, serving particularly as a key to the past history of the Aryan race, will ever make it a valued branch of learning. National feeling, too, will impel towards Sanskrit. To continuing to reverence Sanskrit, however, it is by no means necessary that we should, as at present, hold Bengali, Hindi &c.,in contempt. The tendency will certainly be to avail ourselves as largely as possible of the living stores of our vernacular tongue, and not to unreasonably prescribe them as vulgar, because they are in use among all classes of the people. The entire Pandit class in Bengal at one time largely employed, in colloquial speech, numerous Sanskrit words, in lieu of their Bengali equivalents. This is now going out of fashion. The language in which eminent Pandits like lswar Chandra Vidyasagar and Taranath Tarkavacbaspati converse differs in no wise from that of Bengali gentlemen possessing no knowledge of Sanskrit. Among Brahmans of the priestly class alone, does a Sanskrit phraseology yet linger in some measure, and the priests, as before remarked, are a gradually decaying class. The indications are quite clear, therefore, that the purely Sanskrit element in Bengali is destined to be greatly curtailed in future.

The arguments of the advocates of the present system of Sanskrit borrowing demand an examination in detail. The main argument are the following: –

1. The dialectic varieties of Bengali are so many, and so conflicting, that without Sanskrit there would be no common standard of purity, no bond of union.

This argument, unfortunately, proves too much. It proves that without the purely Sanskrit element in Bengali there would be no common language for Bengal. If this be the fact, then Bengal by all means should have several written languages instead of one. Convenience-human happiness-must be the plea for cultivating the Bengali language at all. If, by ceasing to borrow from Sanskrit words of the commonest kind, we are to dissolve the linguistic unity of the people of Bengal, by all means let such factitious unity be dissolved at once. Popular education would spread better, and so human happiness would be better promoted; if the different sections of Bengal set up each its own dialect as the language of writing. The fact, however, is that there is a general grammatical correspondence among the different dialects of Bengal, and the vocables in common use too, are in general the same all over the country. The language of the Maldah, Dacca and Barisal Districts are quite intelligible to people in Calcutta, as the present writer can say from his own experience. Besides, the people of Bengal generally now look upon the metropolis and the districts lying along the Bhagirathi as the parts where Bengali is spoken in its greatest purity. পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

তিনখানা নারীবাদ।। তিন নম্বরঃ দি গড অব স্মল থিংস বাই অরুন্ধতি রয়

এক।।  দুই।।

সাতানব্বুই সনের উপন্যাস দি গড অব স্মল থিংস গুরুত্বপূর্ণ বই নানাভাবেই গুরত্বপূর্ণ তবে নারীবাদী জায়গাটা প্রকট বলা যায় সন্দেহ ছাড়াইকালচারাল স্ট্রাগলের জায়গাটাও আসছে ভালোমতোই দি গড অব স্মল থিংসে বয়ানের নারীবাদী  ধারাখানি স্পষ্ট হয় মূলত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক লোকেশনগুলোতেই সেগুলাকে এই এই নাম দেয়া যাইতে পারেঃ পরিবার, বর্ণ সংকট, যৌন সংকট, উপনিবেশিকতাজাত মনঃস্তত্ত্ব ইত্যাদি মূলত এইকয়টা গল্পস্থানে অরুন্ধতি নারী সংকটগুলি চিহ্নিত করতে চাইছেন, এবং তার মাধ্যমে সমাজে সর্বব্যাপি শ্রেণী স্ট্রাগলটারে তুইলা ধরছেন



উপন্যাসের কেন্দ্রে যে পরিবার, সেই পরিবারে রাহেল আর এস্থার আম্মুর স্ট্রাগলটারে সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে দেখতে পাই আমরা স্বামী পরিত্যাক্তা অবস্থায় সে ফ্যামিলিতে ব্যাক করে দুই সন্তানসহ ফ্যামিলিতে এই নিয়া একটা চোরা অস্বস্তি আমরা দেখতে পাই শুধু রাহেলের আম্মুই না, ফ্যামিলিতে আরেকজন পরিত্যাক্তা আছেন; আম্মুর ভাই- চাকো বিদেশ থেকে ডিগ্রি-টিগ্রি নিয়া আসছেন বিয়া করছিলেন বিলাতেই বাচ্চাও হইছিল একটা তারপর ডিভোর্স হয়; দেশে ফিরা আসেন তারপর ঘরেই নানান রকম ফন্দিফিকির কইরা সময় কাটাইতেছেন আয়েমেনেমের কম্যুনিস্ট শাখায়ও নাম লেখাইছেন পুরা আউটফিটেই একটা লিবারেল লুক আছে চাকোর; পুরা ফ্যামিলিরই কমবেশি এইটা আছে সিরিয়ান খ্রিষ্টান ছিল তো! কেরালার শতকরা কুড়িভাগ লোকই ছিল এই সিরিয়ান খ্রিষ্টানঅরুন্ধতি রয় বলতেছিলেন যে, “পুরা ভারত রাইখা কেরালায় কম্যুনিষ্ট পার্টির সফল হওয়ার তো বিশেষ কারণ নাই, তারপরও তা হইছিল বোধয় এই বিপুল পরিমাণ সিরিয়ান খ্রিষ্টানদের কারণেই; মানে মার্ক্সিজম তাদের জন্য খ্রিষ্টমন্ডলের বদলে ছিল এক সরল বদলি, যেইখানে খোদারে মার্ক্স দিয়া, শয়তানরে পুঞ্জি দিয়া, বেহেশতরে শ্রেণীহীন সমাজ দিয়া এবং গীর্জারে পার্টি দিয়া সহজেই অদল-বদল কইরা ফালান যায় হিন্দু মনের তরে মিলনে মার্ক্সবাদরে যেরকম জটিল মোকাবিলার মধ্য দিয়া যাইতে হয় এইখানে তা অদরকারি“ তো বুঝা যায় এইভাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার ফলে ওইখানে মার্ক্সবাদ শ্রেণী  ও সমাজচেতনার ভেতরে আদৌতে কোন বিপ্লবই ঘটাইতে পারেনাই ফলে বুঝা যায় আর্যাবর্তের বর্ণসম্পাতের পুরাটাই ছিল ওইখানে; তাতে মার্ক্সিজমের প্লাষ্টার পড়ছে কেবল (আমি জানি এইখানে কেরালান মডেলের কম্যুনিজমের ফ্যান আছেন কিছু; কারণ সেইখানে স্থান ও কালের সাথে সংগতিপূর্ণ মার্ক্সিজম এপ্লাই করা হইছে বাখতিনীয় চিন্তা দ্বারা সিদ্ধ এই পদ্ধতি তবে মাঠের সত্য বোধয় অত ফ্যান হওয়ার মত ছিলনা) তো এইরকম একটা লিবারেল আউটলুক সমাজের কোন উপকারেই আসেনা, বরং এইরূপ আউটলুক ধারণকারীরে দিয়া থাকে এক চিরস্থায়ী এলিট মসনদ লিবারেল এলিটিজমের চেয়ে প্রশ্নাতীত আর কোন অবস্থান সমাজে নাই অতি আরামের মানুষের অধিকারের গাহেক হইয়া যান একবার, দেখবেন আপনার বুদ্ধিবৃত্তিক তৎপরতা নিয়া আর কোন প্রশ্ন নাই। চাকো ছিলেন ফ্যামিলির সেই রকম এক লিবারেল ফেইস; উপযুক্ত খ্রিষ্টান। ফ্যামিলিতে চাকোর লগে চাকোর বইনের অবস্থার তুলনামূলক পর্যালোচনা থেইকা বুঝতে পারি, চাকো তার জীবনে উদারময়তার এক যজ্ঞ চালু রাখতে চাইছিলেন ঠিকই (কারণ তাতে আছে বেহদ সোশ্যাল ডিভিডেন্ড), কিন্তু সমাজের সবখানে তা চর্চা করতে চাননাই। বেশ স্বাভাবিকভাবেই সামাজিক নিগ্রহব্যবস্থারে তিনি মাইনা নিছিলেন এবং তা ব্যবহারও করতেন নিয়মিত। যেমন ধরেন, যদিও দুইজনই (চাকো ও চাকোর বইন) ফ্যামিলির জন্য বোঝা হইয়া ওঠার কথা, কিন্ত চাকো হইয়া উঠলেন কর্তা। সঙ্গীহীন চাকোর যৌন ক্ষুধা মেটাইতে নিয়মিতই তার রুমে পাঠানো হইত অস্পৃশ্য নিচা বর্ণের পারাবান নারীদের; যারা কিনা তার আচারের ফেক্টরিতেই কাজ করতো। এবং তিনি তাদের গ্রহণও করতেন অবলীলায়; লিবারেল তাই স্পর্শ নিয়া তার সমস্যা থাকার তো কথা না! ওদিকে তার বইন ভেলুথার (পারাবান মিস্ত্রী) লগে শোয়ায়, ফ্যামিলির জাত যায় যায়! এইরকম সুবিধাজনক উদারবাদ ছিল চাকোর।

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য