Main menu

কেউ একজন গোলাপগুলো এলোমেলো করছে

মূল:: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ

অনুবাদ আমি করতে চাই না। আমার মত কইরাও অনুবাদ আমি করতে চাই না। অনুবাদ করার কথা চিন্তা করলেও আমার বিলা লাগে। কোনো কোনো গল্প আমি পড়া শুরু কইরা সিন দেখতে থাকি। এইগুলা আমার সাথে ঘটতেছে এই রকম ভাবতে ভালো লাগে। আমার সাথে অলরেডী ঘইটা গেছে এইরকম ব্যাপারও কোনো কোনো গল্পে থাকে। সেই গল্পটা আমার রি-রাইট করার ইচ্ছা জাগলে আমি আর কোন উপায় না পাইয়া অনুবাদই করি। গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ‘সামওয়ান হ্যাজ বিন ডিসঅ্যারেঞ্জিং দিজ রোজেস’ এইখানে অনুবাদ করছি বা এক ধরনের রি-রাইট। সাইজটাও একটা ব্যাপার। বাছবিচার এর সম্পাদকদ্বয়রে বলছিলাম কাজুও ইশিগুরোর ‘কাম শাইন অর কাম রেইন’ গল্পটা আমি দিব। বেশ অনেকদূর কইরা আর আগাই নাই। বেশ বড়, সাইজ প্রোবলেম করছে। ‘সামওয়ান হ্যাজ বিন ডিসঅ্যারেঞ্জিং দিজ রোজেস’ মার্কেজের ‘আইজ অব এ ব্লু ডগ’ বইয়ের গল্প। মনোলগ ধরনের গল্প এইটা। একজন মৃত ব্যক্তি বলতেছে। অনেক ছোটবেলায় সে মারা গেছে দুর্ঘটনায়। কিন্তু তার ‘বিইং’ পৃথিবীতে আছে এবং তার বয়স বাড়ছে।  [pullquote][AWD_comments][/pullquote] যেহেতু তারে কেউ দেখে না, তাই তার থাকার কোনো গুরুত্ব নাই বাঁইচা থাকাদের কাছে। কিন্তু সে দেখে বাঁইচা থাকাদের। তার কাছে গুরুত্ব একজনেরই। তার শৈশবের খেলার সাথী, যার সাথে সম্পর্কটারে আশেপাশের মানুষ দেখছে ভাই-বোনের সম্পর্ক হিসাবে। এইটা সম্ভবত বয়সের কারণে। কিন্তু সময়ের সাথে সম্পর্কটার ভবিষ্যত হয় প্রেম, দুইদিক থিকাই। কিন্তু যেহেতু একজন মারা গেছে এবং একজন যায় নাই, তাই এই প্রেম আর ফাংশন করে না। বা যেভাবে ফাংশন করে সেইটা দারুণ। বিশ বছর পর মেয়েটার ফিরা আসা এবং তখন গল্পের বর্ণনাকারীর রিঅ্যাকশন থিকা বোঝা যায় দুইজনের জন্য এই পয়েন্টটাই সম্ভাব্য পরিণতি ছিল। দেড় বছর পরে দেখা হইলেও একই রকম হয় আসলে। একজনের চুল ছোট হইয়া গেলে বা দুপুরে লাঞ্চ করার অভ্যাস বাদ দেয়ার কথা দাবি করলেও বা একজন চশমা পরা শুরু করলেও, কিছু না থাকলেও একটা পজেসিভ সেন্স থাকে। ওয়ান সাইডেড প্রেমের অসহায়ত্ব নিয়া তো মার্কেজ লেখছেন, এই গল্পে প্রেম টু সাইডেড হইয়াও যে কত অসহায় হইতে পারে তা আছে। স্প্যানিশ থিকা গ্রেগরি রাবাসা এবং জে এস বার্নস্টেইনের ইংরেজি অনুবাদ থিকা এইটা আমি করছি। অনুবাদ আমি আমার মত কইরাই করছি, যেভাবে ইচ্ছা হইছে। ‘শি’ ওয়ার্ডটা একই ব্যক্তিরে বুঝাইছে, যেইখানে বেশি ইন্টেন্স ফিল করা মনে হইছে সেইখানে ‘ও’ রাখছি, আর যেইখানে একটু ফর্মালভাবে বর্ণনা করতেছে সেইখানে ‘সে’ লেখছি। আমার মনে হইছে ‘সে’ আর ‘ও’ এর এই ব্যবহারে একধরনের মেলোড্রামা তৈরি হয়। আই লাভ মেলোড্রামা। –মৃ.শা.

—————————

যেহেতু আজ রবিবার এবং বৃষ্টিও থাইমা গেছে, আমি ভাবলাম গোলাপের একটা তোড়া আমি আমার কবরে নিয়া যাব। ও মাথার মুকুট এবং প্রার্থনার জায়গা সাজানোর জন্য যে ধরনের গোলাপ চাষ করে ওইগুলা, লাল এবং সাদা ধরনের। গুমোট আর অতিরিক্ত শীতের কারণে সকালটা দুঃখময় হইয়া আছে আর আমারে সেই টিলাটার কথা  মনে করাইয়া দিতেছে। শহরের মানুষরা ওইখানে তাদের মৃতদের রাইখা আসে। একদম খালি, গাছপালা ছাড়া একটা জায়গা। বাতাস বইয়া যাওয়ার পর যে অল্প অংশ ফিরা আসে সেইটা দ্বারা জায়াগাটা ঝাঁট দেওয়া হয়। এখন বৃষ্টি থাইমা গেছে এবং দুপুরের রোদের কারণে সম্ভবত পিছলা কাদা কিছুটা শুকাইছে, আমার কবরটার কাছে যাইতে পারা উচিত, ওইখানে আমার বাচ্চা বয়সের শরীরটা শুইয়া আছে। এখন শিকড়, শামুক এইগুলার মাঝে মিশা গেছে, ছড়াইয়া পড়ছে।

ও ওর সেইন্টের ছবির সামনে প্রার্থনা করতেছে। আমি বেদীটার কাছে যাইয়া সবচাইয়া উজ্জ্বল আর ফ্রেশ গোলাপগুলা নিতে প্রথমবার ব্যর্থ হইয়া যখন রুমের মধ্যে নড়াচড়া থামাই দিছি, তখন থিকা ও অন্যমনস্ক হইয়া আছে। আমি এইটা আজকে  হয়ত করতে পারতাম, কিন্তু ছোট ল্যাম্পটা একটু মিটমিট করছে আর সে প্রার্থনা থামাইয়া মাথা তুইলা যেইখানে চেয়ারটা আছে ওই কোণার দিকে তাকাইছে। সে অবশ্যই ভাবছে- ‘আবার বাতাস,’ কারণ বেদীর পাশে অল্প আওয়াজ হইছে এইটা সত্য এবং রুমটা এক মূহুর্তের জন্য নইড়া উঠছে, যেন এই রুমের ভিতরে অনেক দিন ধইরা নিশ্চল হইয়া থাকা স্মৃতিগুলা হঠাৎ কইরা সরানো হইছে। তখন আমি বুঝছি গোলাপগুলা নিতে আমার আরেকটা সুযোগের অপেক্ষা করতে হবে, কারণ সে তখনো জাইগা আছে, চেয়ারের দিকে তাকাইয়া আছে এবং তার মুখের পাশে আমার হাতের শব্দ সে শুনছে। এখন সে তার রবিবারের নিয়মিত দুপুরের অল্প ঘুমের জন্য এই ঘর ছাইড়া পাশের ঘরে যাওয়ার মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মনে হয় তখন আমি গোলাপগুলা সাথে নিয়া যাইতে পারব এবং ওর এই রুমে ফিরা আইসা চেয়ারের দিকে তাকাইয়া থাকতে থাকার আগেই ফিরা আসতে পারব।

গত রবিবারে এইটা আরো কঠিন ছিল। তার প্রার্থনায় মগ্ন হওয়ার জন্য আমারে প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হইছিল। তারে ভিতরে ভিতরে অস্থির আর আচ্ছন্ন মনে হইতেছিল, যেন হঠাৎ কইরা এই বাড়িতে তার নিঃসঙ্গতার তীব্রতা কইমা গেছে এই ব্যাপারটা তারে যন্ত্রণা দিতেছে। বেদীতে রাখার আগে সে গোলাপের তোড়াটা নিয়া বেশ কয়েকবার ঘুরল। তারপর সে বাইর হইয়া হলওয়েতে গেল, ঘুইরা পাশের রুমে ঢুকল। আমি জানতাম সে ল্যাম্প খুঁজতেছে। আর পরে, ও যখন দরজা দিয়া বাইর হইল এবং আমি ওরে হলের আলোতে দেখলাম কালো ছোট জ্যাকেট আর উলের মোজা পরা, আমার মনে হইল ও এখনো সেই মেয়েটা যে চল্লিশ বছর আগে এই একই রুমে আমার বিছানার উপর হেলান দিয়া আছে আর বলতেছে- “ এখন তারা টুথপিকের মধ্যে তোমার চোখ খুইলা শক্ত করে রাখছে”। ও পুরা একই রকম ছিল, যেন অনেক আগের সেই আগস্টের বিকাল থিকা আর সময় পার হয় নাই,যখন মহিলারা ওরে এই রুমে আইনা লাশ দেখাইয়া বলছিল- “ কাঁদো, ও তোমার ভাইয়ের মত ছিল”।

আর তা শুইনা সে দেয়ালে হেলান দিয়া কাঁনতেছিলো।

গত তিন-চার রবিবার ধইরা আমি গোলাপগুলা ওইখান থিকা নিতে চেষ্টা করতেছি, কিন্তু সে বেদীটার সামনে সতর্ক হইয়া থাকতেছে। এক ধরনের ভয় মিশানো সতর্কতার সাথে সে গোলাপের ওপর নজর রাখতেছে, যেইটা, গত বিশ বছর ধইরা সে এই বাড়িতে থাকতেছে, আমি তার মধ্যে দেখি নাই। গত রবিবারে সে যখন ল্যাম্প আনতে বাইরে গেল, আমি সবচাইয়া ভালো গোলাপের একটা তোড়া ম্যানেজ করতে পারছিলাম । আগে কখনোই আমার ইচ্ছা পূরণের এত কাছাকাছি যাইতে পারি নাই। কিন্তু চেয়ারের কাছে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিতেছি, আমি করিডোরে আবার ওর পায়ের শব্দ শুনলাম। আমি তাড়াতাড়ি গোলাপগুলা বেদীতে আবার সাজাইয়া রাখলাম আর তখন দেখি ও দরজায় আসছে, হাতে ল্যাম্প উঁচা করে ধরা।

ও ওর কালো ছোট জ্যাকেট আর উলের গোলাপী মোজা পরা ছিল, কিন্তু ওর মুখে একটা কিছু প্রকাশ পাওয়ার মৃদু আভার মত কিছু একটা ছিল। ওরে বিশ বছর ধইরা গোলাপের বাগান করা কোনো মহিলা মনে হইতেছিলো না, বরং ওরে সেই বাচ্চা মেয়ে মনে হইতেছিল যারে সেই আগস্টের বিকালে পোশাক বদলানোর জন্য পাশের রুমে নিয়া যাওয়া হইছিল এবং সে এখন একটা ল্যাম্প সাথে নিয়া আসতেছে  চল্লিশ বছর পরে, বয়স্ক এবং মোটা হইয়া গেছে। সেই বিকালে আমার জুতায় যে কাদা লাগছিল তা এখনো ওইগুলায় শক্ত হইয়া লাইগা আছে, যদিও ওইগুলা চল্লিশ বছর ধইরা নষ্ট হইয়া যাওয়া স্টোভের পাশে শুকাইতেছে। একদিন আমি ওইগুলা আনতে গেছিলাম। এইটা ছিল তারা দরজা বন্ধ কইরা দেওয়ার পরে। ঢোকার রাস্তা থিকা ঘৃতকুমারীর ছোট গাছগুলা নামাইয়া নিছিল। ফার্নিচারগুলা সরাইয়া নিছিল। সব ফার্ণিচার শুধুমাত্র কোণার চেয়ারটা ছাড়া, যেইটাতে আমি দিনরাত সবসময় বইসা থাকছি। আমি জানতাম জুতাগুলা শুকাইতে দেওয়া হইছিল এবং তারা বাড়িটা ছাইড়া যাওয়ার সময় ওইগুলার কথা মনেও করে নাই। এই কারণে আমি ওইগুলা আনতে গেছিলাম।

সে অনেক বছর পরে ফিরা আসছিল। অনেক বেশী সময় পার হইয়া গেছিল যে রুমে গোলাপের গন্ধ ছোটোখাটো শুকনা পোকামাকড় আর ধূলার গন্ধের সাথে মিশা গেছিল। আমি বাড়িটাতে একা ছিলাম, কোণায় বইসা অপেক্ষা করতেছিলাম। কাঠে ফাটল ধরার শব্দ খুঁইজা বাইর করা আমি শিখা গেছিলাম। বন্ধ বেডরুমে বাতাসের চাঞ্চল্য পুরাতন হইয়া যাইতেছিল। তখন সে আসছিল। হাতে স্যুটকেস নিয়া সে দরজায় দাড়াইয়া ছিল। একটা সবুজ হ্যাট আর সেই কটনের ছোট জ্যাকেট পরা, যেইটা তখন থিকা সে আর খুলে নাই। তখনো সে অল্পবয়স্ক একটা মেয়ে ছিল। তখনো সে মোটা হইতে শুরু করে নাই। এবং মোজার ভিতরে তার গোড়ালি স্ফীত হয় নাই, এখনট যেমন হইছে। আমি পুরা ধুলা আর মাকড়সার জাল দিয়া আচ্ছন্ন ছিলাম যখন সে দরজা খুলছিল।  এবং রুমের কোথাও বিশ বছর ধইরা যে ঝিঁ ঝিঁ পোকা গান গাইতেছিল, সে নীরব হইয়া যায়। তারপরেও, মাকড়সার জাল এবং ধূলা সত্ত্বেও, ঝিঁ ঝিঁ পোকার হঠাৎ নীরবতা এবং নতুন সময়ের নতুন আগমন সত্ত্বেও, আমি ওর মধ্যে সেই বাচ্চা মেয়েটারে চিনছিলাম। যেই মেয়েটা সেই আগস্টের বিকালে ঝড়ের মধ্যে আস্তাবলে পাখির বাসা আনতে গেছিল আমার সাথে। একইরকম ছিল ও, হাতে স্যুটকেস এবং সবুজ হ্যাট পরা, দরজায় দাঁড়ানো। ওরে দেইখা মনে হইতেছিল হঠাৎ কইরা সে চিৎকার শুরু করবে। চিৎকার কইরা সেই একই কথা বলবে, আমারে যখন তারা আস্তাবলের খড় বিছানো মেঝেতে তখনো ভাঙ্গা সিড়ির রেলিং আঁকড়াইয়া ধইরা উল্টা হইয়া পইড়া থাকা অবস্থায় পাইল, তখন ও যা বলছিল। সে দরজা খোলায় কব্জাগুলা ক্যাচক্যাচ শব্দ কইরা উঠল আর সিলিং থিকা ঝড়ের মত ধূলা পড়ছিল, যেন কেউ হাতুড়ি দিয়া ছাদের খু্ঁটিতে বাড়ি মারা শুরু করছে। ও দরজার চৌকাঠে অল্প থামছিল। রুমের মাঝখানে আইসা, যেন ঘুমন্ত কাউরে ডাকতেছে এমনভাবে ও বলতেছিল- “এই ছেলে! এই!” এবং আমি তখনো চেয়ারে ছিলাম, স্থির, আমার পা দুইটা শোয়ানো ছিল।

আমি ভাবছিলাম ও শুধু রুমটা দেখতে আসছে, কিন্তু ও বাড়িটাতে থাকা শুরু করলো। সে রুমের বাতাস বাইর কইরা দিছিল। তখন মনে হইল, ও তার স্যুটকেস খুলছে আর ওর পুরাতন সেই গোলাপের সুবাস ওইটা থিকা বাইর হইয়া আসছে। অন্যরা শুধু ফার্নিচার আর ট্রাঙ্কে কইরা পোশাক-আশাক নিয়া গেছিল। ও নিয়া গেছিল শুধু এই রুমের সুবাস, এবং বিশ বছর পরে আবার তাদের নিয়া আসছে, আগের জায়গায় রাখছে। । এবং ছোট বেদীটা সে আবার বানাইছিল, ঠিক আগের মতন। সময়ের নিষ্করুণ পরিশ্রম যা ধ্বংস কইরা ফেলছিল তা ফিরাইয়া আনতে ওর একার উপস্থিতিই যথেষ্ট ছিল। তারপর থিকা ও পাশের রুমটায় খাইছে এবং ঘুমাইছে। কিন্তু ও কাটাইছে এই রুমে, ওর সেইন্টের সাথে মনে মনে কথা বইলা। বিকালগুলায় ও দরজার পাশের দোলনায় বসে এবং কাপড় সেলাই করে। এবং কেউ গোলাপের তোড়ার জন্য আসলে, সে তার বেল্টের সাথে বাঁধা কাপড়টায় টাকা রাখে এবং স্থিরভাবে বলে- ডান দিক থেকে একটা নাও, বামেরগুলা সেইন্টের জন্য।

এইভাবেই ও আছে বিশ বছর ধইরা। দোলনায় বইসা কোনো কাপড় রিফু করতেছে এবং দুলতেছে। চেয়ারের দিকে এমনভাবে তাকাইয়া আছে যেন ও আর সেই ছেলেটার কেয়ার নিতেছে না যার সাথে ও ওর শৈশবের বিকালগুলা শেয়ার করছে, বরং ও কেয়ার নিতেছে ওর দুর্বল নাতির, যে এইখানে বইসা আছে ওর দাদীর বয়স যখন পাঁচ বছর  ছিল সেই সময় থিকা।

এখন এইটা সম্ভব, যখন ও মাথা নিচু করবে আবার, আমি গোলাপগুলার কাছে যাইতে পারব। যদি আমি এইটা কোনোভাবে করতে পারি তাইলে আমি টিলাটার কাছে যাব, ওইগুলা কবরের ওপর রাখব। এবং আমার চেয়ারে ফিরা  আইসা সেই দিনের অপেক্ষা করতে থাকব যেদিন ও আর এই ঘরে ফিরা আসবেনা এবং সবগুলা ঘরেই শব্দ থাইমা যাবে।

সেই দিনটাতে এইসব কিছুতে একটা পরিবর্তন হবে। কারণ আমারে আবার এই বাড়িটার বাইরে যাইতে হবে, কাউরে এই কথাটা বলার জন্য যে, ওই পুরাতন প্রায় ভাইঙ্গা যাওয়ার মত বাড়িটাতে যে গোলাপ-নারী থাকত, তার চারজন মানুষ দরকার তারে ওই টিলাতে নিয়া যাওয়ার জন্য। তারপর আমি চিরদিনের জন্য এই রুমে একা হইয়া যাব। কিন্তু, অন্যদিকে, ও খুশি হবে। কারণ, ওইদিন ও জানতে পারবে এইটা কোনো অদৃশ্য বাতাস ছিল না যা প্রতি রবিবারে তার বেদীতে আইসা গোলাপগুলা এলোমেলো করত।

The following two tabs change content below.

মৃদুল শাওন

জন্ম হইছে ১৯৯০ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর, টাঙ্গাইলে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন।

Latest posts by মৃদুল শাওন (see all)

  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য