Main menu

ফিকশন: আমাদের সময়ের নায়কেরা (পার্ট ১)

.০১ বিপ্লবের রঙ লাল

 

আমস্টারডাম।

বাইরে টেম্পারেচার নয় ডিগ্রীরও নিচে।

স্মল আর কোজি একটা বার। গথিক স্ট্রাকচারের।

পুরা বারটাই খালি, মানুষজন নাই। কোণার ছোট্ট একটা টেবিলে কয়েকজন মানুষ বইসা আছে। এমন চুপচাপ আর স্টিল হয়া বইসা আছে যে মনেহয় এঁরাও কয়েকটা চেয়ার। কথা বলতেছে এমন আস্তে যে মনেহয় মেশিন দিয়া আওয়াজ বাইর হইতেছে। মানুষগুলি খুবই বেমানান এটমোস্ফিয়ারের সাথে। এইরকম এনভায়রমেন্টে ভূত থাকতে পারে কিন্তু তাই বইলা মেশিনের মতো মানুষজন!

টেবিলের মাঝখানে ল্যাম্পের মতো একটা আলো। একটা ম্যাপ রাখা সেইখানে। সবাই ঝুঁকে আছে সেইটার দিকে।

সুপারম্যান-ই কথা শুরু করলেন – লাইফ যেইরকম ফিকশনাল হয়া উঠতেছে ফ্যাণ্টাসির আর কোন দাম নাই এখন। যারে তারে নিয়া যখন তখন ফ্যাণ্টাসি করা যাইতেছে।

স্পাইডার ম্যান: বাল, এইটাতে আমাদের ওরিড হওয়ার কি আছে? হাত দিয়া সুতা ছাড়লেই তো আর স্পাইডারম্যান হইতে পারে না সবাই। সব জার্নালিস্টই কি সুপারম্যান নাকি? আপনি ক্যান ডরান?

বাটম্যান: আমার ধারণা, কানার হাটবাজার বইলা এইসবে ভয় পাইতেছেন আপনারা। কিন্তু অন্ধকারে আমি ব্যাটম্যান যে আছি সেইটা কেন ভুইলা যাইতে চান? আজিব। আমি মরি নাই, তারপরও আপনারা জোকাররেই ডরান!

টারজান: অর্গানিক ইস্যুটা হ্যান্ডেল করার জন্য আমার উপ্রেই ভরসা করতে পারেন।

বায়োনিক ওম্যান একটু লজ্জাই পাইলেন। কইলেন, দেখেন অর্গানিক জিনিসটাও একটা সায়েন্সই। আবিষ্কার করা লাগে নাই কি কারো না কারো?

সবার পন্ডিতি দেইখা একটু বিরক্তই হন মাইকেল কর্লিয়নি, কিন্তু সেইটার কোন ইম্প্রেশন গডফাদারের চেহারা বা কণ্ঠে নাই। তিনি সবাইরে শান্ত করার টোনে বলেন, লেটস মেইক দেম অ্যা অফার হুইচ দে ক্যান্ট রিফিউজ। তারপর ব্যাকগ্রাউন্ডটা উনি আরেকবার রিভিল করেন। বলেন যে, মিনিং ইম্পোজ করার কিছু নাই। কনটেক্সটটারে এমনভাবে ক্রিয়েট করা লাগবে যাতে মিনিংগুলি অটোম্যাটিক্যালি বাইর হয়া আসতে পারে। দেখবেন, প্রি-কলোনিয়ান অ্যাক্টিভিটিগুলারে অরা আরো বেশি কইরা সাবস্ক্রাইব করতে পারবে, আমাদেরকে এড়াইতে গিয়া। আমাদের খালি সেই চান্সটা দিতে হবে। সো, আপনেরা এলিয়েনদের লগেই ফাইট’টা করেন। উনারাই উনাদের রেভিউলেশন ঘটাইয়া ফেলতে পারবেন।

লেটস হ্যাভ অ্যা রেভিউলেশন! – গুনগুন কইরা সবাই-ই একই গান গাইয়া উঠলেন।

হলুদ বাতি নিইভা গিয়া লালবাতি জ্বইলা উঠলো তখন।

 

০.১ রূপার কান্না

লালবাতি জ্বালায়া দিনের বেলা একটা অ্যাম্বুলেন্সে যাইতেছে। ষ্ট্রেচারে হিমু’র শরীর। পাশে বইসা আছে রূপা আর মাসুদ রানা। আমি কি মারা যাইতেছি? আমি কেন মারা যাবো! মারা গেছেন ত হুমায়ূন আহমেদ! হিমু ভাবতে থাকে। তার ভাবনার চাইতেও দ্রুত চলে যাইতেছে অ্যাম্বুলেন্স।

রূপা চুপচাপ বইসা আছে। একটা হাতে শে ধইরা রাখছে হিমু’র হাত। অন্যদিকে মুখ ফিরাইয়া রাখছে শে। এই যে অন্যদিকে তাকাইয়া থাকা, তার চোখের দিকে তাকাইয়া তার মইরা-যাওয়াটা দেখতে না-চাওয়া, এইটাই ভালোবাসা; হিমু বুঝতে পারে। সে দেখতে পাইতেছে রূপার গালের শিরাগুলা কেমন লাল হয়া আছে; শে কি কানতেছে? এইটাই কি ভালোবাসার কান্না? এই ভালোবাসা আসলে নেয়া যায় না। আমাদের অস্তিত্ব নিতে পারে না। ইগনোর করার ভিতর থাকতেই থাকে। যদি মইরা যাই, এই কথা রূপারে ত আর বলা হবে না। কিন্তু হিমু জানে, সে মরবে না আজকে। অথবা যদি মইরা-ই যায়, তাইলে তার খুব খারাপ লাগবে। বাঁইচা থাকার জন্য না, রূপার ভালোবাসা সে তো আর দেখতে পাবে না। এইজন্য মইরা গেলেও তার খারাপ-লাগাগুলা দুনিয়াতে থাইকা যাবে। হয়তো রূপা বাঁইচা থাকবে, অন্য কারো চোখের দিকে তাকায়া সে খুঁজতে থাকবে হিমু’র ভালোবাসা। যে চোখে সে তাকায় নাই, সেই চোখ তখনো কেন বাঁইচা থাকতে পারবে না! এমনই অসহায় ভাবনা ভাবতেছিলো রূপা। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

লুঙ্গি পইরা লিটফেস্টে… ।। কে এম রাকিব ও তুহিন খান ।।

লুঙ্গি কি নিষিদ্ধ পরিধেয় এই দেশে? 

কে এম রাকিব

আজকে লিটফেস্টে চমকপ্রদ ঘটনা ঘটছে।

এইবার লিটফেস্টের আগের দিনগুলিতে যাইতে পারি নাই। আজকে শেষ দিনে ভাবলাম যাই একবার। কয়েকজন ডিসাইড করলাম লুঙ্গি পরে গেলে কেমন হয়?

যেমন ভাবা তেমন কাজ। আমরা কয়েকজন লুঙ্গি পরে চলে গেলাম। এবং গিয়া বুঝলাম লুঙ্গি না পরে গেলে শিল্প-সাহিত্য-শ্রেণি-রাজনীতির অনেক কিছুই বোঝা বাকি থাকতো, কাগু!

আমাদেরকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয় নাই। যদিও সরাসরি বলা হয় নাই যে লুঙ্গির কারণে আপনাদের ঢুকতে দিবো না, কিন্তু আচরণে সেইটাই বুঝায়ে দেওয়া হইছে।

ঘটনা বিস্তারিয়া বলি।

আমরা আনুমানিক ছোয়া ছয়টার দিকে বাংলা একাডেমির গেটে যাই। আমরা কয়েকজন লুঙ্গি পরা ছিলাম। আমাদের দেখার সঙ্গে সঙ্গে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার ঠিক পূর্বমুহূর্তেও লোকজন ঢুকতেছিলো!

তখন গেটের দায়িত্ব থাকা পুলিশ কর্তৃপক্ষের অজুহাত দিছে। এই এক আজব এক অজুহাতের সিলসিলা দেশে আছে! এক কথা কর্তৃপক্ষের নিষেধ আছে/ কর্তৃপক্ষ বলছে। অথচ সময়মতো কর্তৃপক্ষ খুজে পাওয়া যায় না। আজকেও আমরা ওখানে দায়িত্বরত ব্যক্তি বা ভলান্টিয়ার বা পুলিশ কারো কাছে জিগায়েও জনাব ‘কর্তৃপক্ষ’র দেখা পাইলাম না।

বরং পাইলাম ভলান্টিয়ার ও পুলিশের আমাদের লুঙ্গির দিকে অদ্ভুত চোখে তাকানো। যেন ‘এই প্রাণীগুলা কই থিকা আসছে?’

আবার গেটের বাইরে কয়েকজন পুলিশ দায়িত্বে ছিলো। আমাদের দেখে তারা নিজেদের মধ্যে বললো, আমরা চা খায়া আসি। বলে তারা গেট থেকে সরে গেছে। গেটের কাছে ভেতরে সিভিল পোষাকে এক জন ছিলো। ‘আমি কিছু জানি না’ বলে সেও বিরক্তি নিয়া ভেতরে চলে গেছে।

এমনকি সাউন্ড সিস্টেমের একজন লোক, তার কার্ড দেখানোর পরেও, লুঙ্গি পরা আমরা তার পাশে ছিলাম বলে তাকেও ঢুকতে দেওয়া হয় নাই।

‘কেন ঢুকতে দেওয়া হবে না’র ব্যাপারে একজন পুলিশ কথা বললেন পরে। সেই পুলিশ জানাইছে, কর্তৃপক্ষ বলছে সাড়ে ৬ টায় বন্ধ করতে।

অথচ আমরা সোয়া ছয়টায় গেটে ছিলাম!
পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

ফুকো অন ফুকো

আসেন ফুকো’রে নিয়া কথা কই। পোস্টমর্ডানিজম নিয়া কথা কইতে গেলে এই নামটা আসে আগে, মেবি মুখে নিতে সুবিধা হয়। এমনিতে উনারে নিয়া কিছু কথাবার্তা তো হইছে বাংলাদেশে। উনার কোন বই পুরা ট্রান্সলেট মেবি হয় নাই, কিন্তু উনার কিছু লেখার অনুবাদ আর উনারে নিয়া কয়েকটা বই ছাপা হইছে। মানে, উনার নামের মতোন উনার টেক্সট খুব বেশি পরিচিত না হইলেও নতুন না কোনভাবেই।   

এই টেক্সটটা ডেনিস হুইসম্যানের (Denis Huisman) এডিট করা ডিকশনারি ডি ফিলসফিস নামের একটা জায়গায় পয়লা ছাপা হয়। হুইসম্যান বইয়ের নতুন এডিশন ছাপানোর সময় ‘ফুকো’ এন্ট্রিটা এডিট কইরা দেয়ার লাইগা ফ্রান্কোস ইল্যুয়ড’রে (Francois Ewald) বলেন। ফ্রান্কোস ইল্যুয়ড তখন কলেজ ডি ফ্রান্স-এ ফুকো’র অ্যাসিসটেন্ট আছিলেন। তো, শেষমেশ হুইসম্যানকে যেইটা পাঠানো হয়, সেইটা পুরাটাই আছিলো ফুকো’র নিজের লেখা আর সাইন করা হয় Maurice Florence নামে একটা ছদ্মনামে। এইরকমের একটা অনুমান আছে যে, হিস্ট্রি অফ সেক্সুয়ালিটির ভূমিকা হিসাবে ফুকো এইটা লিখছিলেন।

বাংলা অনুবাদটা করা হইছে রবার্ট হার্লি’র (Robert Hurely) ফরাসী থিকা করা ইংরেজী টেক্সটা থিকা। সেইটা আছে,পেঙ্গুইন বুকসের মিশেল ফুকো’র এসেনশিয়াল ওয়ার্কস অফ মিশেল ফুকো (১৯৫৪-১৯৮৪) সেকেন্ড পার্টে; এসথেটিকস (মেথডোলজি এন্ড এপিস্টোমোলজি)র পেইজ নাম্বার: ৪৫৯-৪৬৩ তে। টেক্সটটা অনেকবার পড়তে গিয়াই পয়লা অনুবাদ করছিলাম ২০০৬-এর দিকে। এখন এডিট করলাম আবার।

ইংলিশ অনুবাদটাতে বাক্যগুলি অনেক কমপ্লেক্স, মানে প্যাঁচাইন্না, তো বাংলা অনুবাদেও জিনিসটারে ঠিক এভেয়ড করা হয় নাই। মানে, কমপ্লেক্স বাক্যরে ভাইঙ্গা ছোট করলে মিনিং পাল্টায়া যাবে – তা না; চিন্তার বা সিচুয়েশনের কমপ্লেক্সিটিটারে একভাবে অ্যাকোমেডেড করার ব্যাপারটা হয়তো মিসিং হইতে পারে। তবে ঝামেলার ব্যাপার হইছে টার্মগুলি, আমরা যেই মিনিংয়ে বাংলা শব্দগুলিরে ইউজ করি আমাদের ভাষায়, ফুকোর মিনিংগুলি এইরকমের না, তো প্রথমবার যেহেতু বাংলায় রাখছিলাম এইজন্য মনে হইছে সরাসরি আবার ইংলিশটা লেখলে খুববেশি ঠিকঠাক হবে কিনা,… বরং হয়তো শব্দগুলার ইংলিশ কনটেক্সটটাতেই আটকায়া থাকতো, এই কারণে বাংলা শব্দগুলিরে ইংলিশের পারসপেক্টিভে রিড করার একটা সাজেশন হিসাবে ব্র্যাকেটে ইংলিশ ওয়ার্ডটা রাখছি। ঠিক হয় নাই হয়তো, তারপরও ট্রাই করতে চাইছি।… শেষ কথা হইলো, অনুবাদটা আরেকটু বেটার হইতে পারতো, আমার ধারণা, উনার চিন্তাগুলি আরো স্পষ্ট করার ভিতর দিয়া এইটা হইতে পারবে হয়তো।…

ইংলিশ টেক্সটটা এই লিংকে গিয়া পড়তে পারবেন।

লিংকটা এই আশাতেই দেয়া যে, কেউ যদি পইড়া কোন ভুলের কথা বলেন বা কোন র্পাটের বেটার অনুবাদ সাজেস্ট করেন, তাইলে মুফতে কিছু কারেকশন পাইতে পারি আমি।  

 

২.

তো, টেক্সটের এই ঘটনাটা ইন্টারেস্টিং, ফুকো যে নিজের নামে লিখলেন না বা একটা টেক্সটরে যে অারেকটা কনটেক্সটে রাখতে রাজি হইলেন।

পরেরটা নিয়া যদি আগে কথা বলি, এইটা হয়, একটা কনটেক্সটের জিনিস আরেকটার সাথে ম্যাচ করে, ব্লেন্ডার মেশিন দিয়া ফলের জুস যেমন বানানো যায়, মশলাও পেস্ট করা যায়। তো, ওইটা আর করেন নাই উনি, একটা সিঙ্গেল পারপাসেই ইউজ করছেন। এইটা এইরকম সার্টেন জিনিসরে সিগনিফাই করে আর কি। উনি একটা ধারাবাহিকতারে আইডেন্টিফাই করার বা একটা পদ্ধতি কি রকম ধারাবাহিকতার ভিতর দিয়া অ্যাক্টিভ থাকে, তারে রিভিল করতে চাইছেন, মানে, একটা টাইমস্পেসের মধ্যে ডটগুলিরে উনি কানেক্ট করতে চাইছেন, একটা টাইমস্পেসের চাইতে আরেকটা টাইমস্পেসে ডটগুলি আলাদা কিনা বা কেমনে আলাদা, সেইটা এই প্যাটার্নগুলিরে আইডেন্টিফাই করার ভিতর দিয়া রিডিংয়ের সাজেশন উনার। যেই কারণে হয়তো যেইটা ডিকশনারির এন্ট্রি সেইটা বইয়ের ইন্ট্রো হইতে পারে নাই আর, পারতো না যে, তা তো না, মেবি এইভাবে এভেয়ড করছেন, আমার অ্যাজাম্পশনটা এইরকম –  চিন্তা যতোটা টোটালিটি নিয়া থাকে, অ্যাক্টের ভিতরে আইসা সেইটা বাঁইকা যায় রিডিউসড বা অ্যামপ্লিফাইড হয়, ফর্মের কারণেই। তো, ব্যাপারটা ঠিক টেক্সটের মনোগ্যামিতা বা পলিগ্যামাস হওয়ার ঘটনা না, ইন্টেলেকচুয়াল প্রাকটিসে একটা সার্টেন বেইজের ভিতরে ফোকাস রাখার চেষ্টাটা থিকা ডিরাইভ করাটা কাছাকাছি একটা ঘটনা হইতে পারে মনেহয়।

আর প্রথমটা এর সাথেই রিলিভেন্ট। বোর্হেসেরও তো আরেকজন বোর্হেস নিয়া লেখা লাগছিলো। ফুকো এইটারে সিম্পল টেকনিকের ভিতর দিয়াই এভয়েড করছেন। একজন ফুকো আরেকজন ফুকোরে নিয়া লিখতেছেন না, উনি আরেকজন মানুষ, যিনি আসলে এগজিস্ট করেন না। বা আছেন বা থাকলেনই বা থাকলেন না গুয়ামারা খান গিয়া হ্যাপিং ফাকিং!  :)

 

৩.

এইটা ফুকোরে নিয়াই কথা বলা, টার্মগুলি উনার, কনটেক্সটটা উনার, বলতেছেনও উনিই। চিন্তার ক্ষেত্রে হয় কি, একটার পারসপেক্টিভ দিয়া আরেকটা বুঝার ট্রাই করা হয়, এইখানে এই স্কোপটা খুব কম। ফুকোর রেফারেন্সগুলি তার নিজেরই। উনি ক্লেইম করছেন উনার ইনকোয়ারির জায়গাটা হইতেছে সাবজেক্ট আর অবজেক্ট একটা ট্রুথের গেইমটাতে কিভাবে ডিফাইনড হইতেছে, ট্রান্সফর্মড হইতেছে একটা অবজেক্টে বা সাবজেক্ট হিসাবে নিজেরে ক্লেইম করতেছে। উনি ফিলোসফির অ্যাকাডেমিক বাউন্ডারিটার ভিতর থিকাই কাজের এরিয়াটারে মার্ক করার ট্রাই করছেন, যেহেতু একটা ফিলোসফির ডিকশনারি, ওইভাবেই অ্যাকোমোডেড করছেন। ফুকো ধারণাটা ফিলোসফিতে কি জিনিস, এই টেক্সটটা এইটুকই। এর চাইতে বেশি কিছু এক্সপেক্ট করা ঠিক হবে না। তো, এইটা মেবি ফুকোলডিয়ান চিন্তার একটা বাউন্ডারিও আর কি :(  যে, কনটেক্সটটারে এইটা খুববেশি মান্য করে বা করার ভিতর দিয়াই অপারেট করে।

 

ই.হা.

……………………………………………………………………………………………..

 

ফিলোসফিক্যাল ট্রাডিশনে ফুকোরে যতদূর পর্যন্ত ফিট করা যায়, সেইটা হইতেছে কান্টের সমালোচনামূলক ধারা আর তার প্রজেক্টটারে কওয়া যায় চিন্তার সমালোচনামূলক ইতিহাস।  এইটারে একটা ধারণার ইতিহাস কইলে ঠিক হইবো না যা হইতেছে একই সময়ে ভুলগুলার অ্যানালাইসিস যা ফ্যাক্টের পরে মানদন্ড হিসাবে বাইর হয়া আসতে পারে; অথবা ভুল ব্যাখ্যাগুলার ঠিকঠাক অর্থ বাইর করা যা এদের সাথে জড়িত এবং যার উপর হয়তো ডিপেন্ড করে বইলা আজকে আমরা মনে করতেছি। যদি ধইরা নেয়া হয় চিন্তার মাধ্যমে যা বোঝানো হয় তা হইতেছে একটা বিষয় (subject) অার একটা বস্তু’র (object) সত্য ঘটনা, তাদের মাঝখানে পসিবল রিলেশনগুলাসহ, তাইলে একটা চিন্তার সমালোচনামূলক ইতিহাস হবে শর্তগুলার একটা অ্যানালাইসিস যার ভিতর বিষয়  এবং বস্তুর কিছু রিলেশন তৈরী হয় অথবা পরিবর্তিত হয়, এইরকমভাবে এই রিলেশনগুলি একটা সম্ভাব্য জ্ঞান’রে [ঠিকঠাক কথা কইতে পারা (savoir)] বানায়। এইটা বস্তুর প্রতি একটা রিলেশনের ফর্মাল শর্তগুলারে ডিফাইন করার ব্যাপার না, অথবা ইমপ্যারিক্যাল শর্তগুলিরে অালাদা করার ব্যাপারটা না যা হইতে পারে, একটা নির্দিষ্ট মোমেন্টে, বিষয়টারে (subject) সাধারণভাবে সক্ষম করে একটা বস্তুর (object)  সাথে পরিচিত হইতে যা অলরেডি বাস্তবে আছে। সমস্যাটা হইতেছে ঠিক করার, কি হইতে পারে বিষয়টা; কোন শর্তগুলার ভিত্তিতে উনি বিষয়, কোন স্ট্যাটাস তার থাকা দরকার, বাস্তবে অথবা কল্পনায় সে কোন অবস্থান দখল করবে, একটা যুক্তিসঙ্গত বিষয় হইতে হলে এইটার অথবা অন্য রকম একটা জ্ঞানের [সচেতনতার connaissance]।  সংক্ষেপে, এইটা হইতেছে “বিষয়করণ”(subjectivization)  এর পদ্ধতিটারে স্থির করার একটা ব্যাপার, পরেরটার ক্ষেত্রে যা অবশ্যই একই রকম না, জ্ঞান কি একটা পবিত্র টেক্সটের সমালোচনা ও ব্যাখ্যার সাথে জড়িত, ন্যাচারাল হিস্ট্রির অবজারভেশন নাকি একটা মানসিক রোগীর আচরনের অ্যানালাইসিসের সাথে – তার ভিত্তিতে। কিন্তু একই সময়ে এইটা ঠিক করার প্রশ্ন যে, কোন শর্তগুলার ভিতর কোনকিছু একটা বস্তু (object) হয়া উঠতে পারে একটা সম্ভাব্য জ্ঞানের [সচেতনতার connaissance], কিভাবে এইটা সমস্যায়িত (problematized) হইতে পারে একটা বস্তু হিসাবে যারে জানতে হবে, কোন সিলেক্টিভ প্রক্রিয়ায় এইটা হইতে পারে বিষয়কৃত (subjected), তার কোন অংশরে বিবেচনা করা হবে যথাযথ বইলা। সুতরাং ব্যাপারটা হইতেছে বস্তুকরণ (objectivation) এর পদ্ধতিটারে স্থির করার, যা একইরকম না, জ্ঞানের [ঠিকঠাক কথা কইতে পারা (savoir)] টাইপের উপরে ডিপেন্ড কইরা, যার সাথে এইটা জড়িত।

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য