Main menu

দ্য ডেইলি স্টোয়িক: ৩৬৬ দিনের জার্নাল।। রায়ান হলিডে।। (১)

ফ্রম গ্রীস টু রোম টু টুডে

এখন সময় রাইত ১২ : ০৫। মেহেরাব ইফতি আমারে ভূমিকা লেইখা দিতে কইছিলো সকালে। সারাদিন ভাবলাম। মূল বইয়ের ভূমিকাটাও পড়লাম কয়েকবার। এখন লেখতে বসলাম; যা বুঝলাম সারাদিনে -একটা চেনা প্রবাদ দিয়া শুরু করা যাইতে পারে কথাগুলা, “পুরান চাইল ভাতে বাড়ে।”

তিন হাজার বছর আগের গ্রিক সময়কার দর্শন নিয়া এই সময়ে আইসা আলাপ দেয়ার মানেটা কী? তাও স্টোয়িক দর্শন নিয়া বিশেষভাবে। দর্শনের ছাত্র হিসেবে প্রথম পাঠ যেগুলা পাইছিলাম তার মধ্যে একটা ছিলো, কোনো সময় দর্শন একেবারেই বাতিল হইয়া যায় না। অর্থাৎ, বিজ্ঞানের সূত্র বাতিল হইয়া যাইতে পারে, মৃত হইয়া যাইতে পারে, কিন্তু দর্শন বাতিল হয়না, মৃত হয়না। এইটা একটা কারণ, যেটার জন্য এখনও দার্শনিকরা এরিস্টটল-প্লেটো কপচাইতে পারে, হয়তো ভবিষ্যতেও পারবে। স্টোয়িক ফিলোসফিও প্লেটো-সক্রেটিসের সময়কারই। নতুন কইরা স্টোয়িক দর্শনের আবির্ভাব আমাদের এইসময়ে, এর পিছনে কিছু আর্থ-সামাজিক ও বৈশ্বিক কারণ অবশ্যই আছে, যদিও এই বইয়ের বিষয়বস্তু সেইটা না, এমনকি আমার আলাপেরও না, তাও বইলা রাখলাম চিন্তার উস্কানি হিসাবে। তো এই বইয়ে আসলে আলাপটা কী নিয়া? কারা ছিলো স্টোয়িক? স্টোয়িক বলতে আমরা জেনারেল সেন্সে কী বুঝি? প্রথম কথা, স্টোয়িক বলতে আমরা জেনারেল ইমেজে এইটা ধইরা নিই যে :আবেগহীনতা (এমনকি ইংরেজি শব্দেও সেরকমই অর্থ)। এইটা নিয়া রায়ান হলিডেও তার বইতে আক্ষেপ করছেন। মহান রোমান সম্রাট মার্কাস অরিলিয়াস, দার্শনিক সেনেকা এবং প্রথমজীবনে দাস থাকা ও পরের জীবনে দার্শনিক হইয়া যাওয়া এপিকটেটাস, এরা হইলো স্টোয়িক দর্শনের ত্রিশূল। এদের আগেও স্টোয়িক ঘরানার চর্চা ছিলো কমবেশি, কিন্তু এরা তিনজনই মূল জায়গার ফাইটটা দিছেন স্টোয়িক দর্শন নিয়া। এছাড়াও জর্জ ওয়াশিংটন, ওয়াল্ট হুইটম্যান, ইমানুয়েল কান্ট, অ্যাডাম স্মিথ, থমাস জেফারসন, ম্যাথু আরনল্ড, থিওডোর রুজভেল্ট, এসব বিখ্যাত ব্যক্তিরা স্টোয়িকদের পাঠ করছে, প্রশংসা করছে।

এই বইটা লেখছেন রায়ান হলিডে, রায়ান হলিডে কে? রায়ান হলিডে একজন আমেরিকান লেখক, উদ্যোক্তা, মিডিয়া স্ট্রাটেজিস্ট, এবং নিউ ইয়র্ক অবজার্ভারের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন। পড়ালেখা করছেন পলিটিকাল সায়েন্স এবং ক্রিয়েটিভ রাইটিং এর উপরে।

এই বই কেন পড়বেন? উপরে বলছি একজায়গায়, স্টোয়িক দর্শনের পুনরায় আবির্ভাবের পিছনে আর্থ-সামাজিক ও বৈশ্বিক কারণ আছে কিছু, আপনি নিজেও ব্যক্তি হিসাবে আপনার আর্থ-সামাজিকতা ও বৈশ্বিক দুনিয়ার একটা অংশ। এসবের প্রভাব আছে আপনার উপরে। এসবের ক্রাইসিস আছে আপনার জীবনে। যদি সেগুলারে মোকাবিলা করতে চান ঠিকঠাকভাবে, তাইলে স্টোয়িক দর্শন নিয়া ঘাঁটাঘাঁটিটা আপনার কাজে লাগতে পারে অল্প হইলেও, আর বেশি হইলেতো তোফা!

শেষকথা, এইটা দর্শনের একাডেমিক বই না।পপুলার বই, পপুলার স্টাইলেই লেখা।দর্শনের বই দেইখাই ঘাবড়ায়ে যাইয়েন না। উল্টায়া দেখেন একটু।একদম সহজ ভাষায় ডায়েরি স্টাইলে লেখা, কিন্তু এর মধ্যেই প্রকাশ পাইছে গভীর দার্শনিক চিন্তা এবং নিজের জীবনে সেইটার প্রয়োগের পদ্ধতি। কথা বাড়ায়া আর বিরক্ত কইরা লাভ নাই, এইখানেই শেষ করলাম ফুলস্টপ

 

…………………………………………………………………………..

১ জানুয়ারি: (নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচন)

“কোন জিনিসগুলা আমার নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে বা থাকতে পারে আর কোনগুলা নাই, এই দুই বিষয়রে পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করা এবং এদের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারাটাই জীবনে প্রধান কাজ। এরপর ভালো এবং মন্দের পার্থক্য আমি কীভাবে বুঝবো? বাইরের কোনো বিষয়ের উপর ভিত্তি কইরা না, বরং যেইগুলা আমার নিজের নিয়ন্ত্রণে ছিল সেগুলা নিয়া কীরকম সিদ্ধান্ত নিছি তার উপরে ভিত্তি কইরা বুঝতে হবে…”

-এপিকটেটাস, Discourses, 2.5.4-5


স্টোয়িক দর্শনে একমাত্র সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চর্চা হইতেছে কোনটা আমরা চেইঞ্জ করতে পারি, আর কোনটা পারিনা, এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য বুঝা। কোনটার উপর আমাদের প্রভাব আছে আর কোনটায় নাই। ওয়েদারের কারণে কোনো ফ্লাইট লেইট করলে, সে ব্যাপারে এয়ারলাইন্স প্রতিনিধিরে যতই গালিগালাজ করেন না কেন, তাতে ওয়েদার পরিবর্তন হয়ে যাবেনা। লম্বা হওয়ার জন্য বা খাটো হওয়ার জন্য বা অন্য কোনো দেশে জন্মাইলেন না কেন, এই নিয়ে মনের ভেতরে যতই কামনা পোষণ করেন না কেন, তাতেও কাজ হবেনা। আপনি যত চেষ্টাই করেন না কেন, কেউ আপনারে পছন্দ না করলে তারে আপনি জোর কইরা পছন্দ করাইতে পারবেন না। এবং শেষ কথা এই যে, আপনি এইসব নিজস্ব নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাপারে যতই টাইম পাস করেন না কেন, তা অপচয়ই হবে।

রোগ-শোকের সময় শান্তির দোয়া নামে একটা দোয়া আছে যেটা এরকম : “হে খোদা! আমি যা চেইঞ্জ করতে পারি না তা শান্তভাবে মাইনা নিতে আমারে হেল্প করেন, যা চেইঞ্জ করতে পারি তা চেইঞ্জ করার সাহস দেন, এবং এই দুইয়ের পার্থক্য জানার হেদায়েত দান করেন।” শিশু নির্যাতনের স্বীকার হয়ে, পরবর্তীতে ডিফেন্স মেকানিজম হিসেবে যে ব্যক্তি বড় হইয়া ড্রাগঅ্যাডিক্ট হয়া যায়, সে চাইলেও তার শিশুকালের ঘটনাগুলা চেইঞ্জ করতে পারবেনা। অতীতে, একজন ব্যক্তি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়া ফেলেছে বা যে আঘাত সে অন্যরে দিছে, সেগুলা সে হয়তো চেইঞ্জ করতে পারবেনা। কিন্তু ভবিষ্যতে এমন না করার বিষয়টা তার নিজের ডিসিশানের ব্যাপার। আর সেই ডিসিশান সে বর্তমানেই নিতে পারে। যেমনটা এপিকটেটাসের ভাষ্যমতে, “একজন ব্যক্তি কী ডিসিশান নিবে সেটা সে চাইলে এই মুহূর্তেই বাছাই করতে পারে।”

ঠিক এমনটাই আমাদের আজকের দিনের লাইগাও সত্য। যদি আমরা দিনের শুরুতেই এইটা ক্লিয়ারলি ভাইবা নিতে পারি যে, দিনের কোন কোন ঘটনাগুলা আমাদের কন্ট্রোলে থাকতে পারে, আর কোনগুলা পারে না, তাইলেই আমাদের দিনটা বেশি সুখে যাবে। শুধু তাই না, আমরা ঐসব ব্যক্তির তুলনায় বেশি সুবিধা পাবো, যারা আজকের সত্যটা টের পাইতেছে না এবং এমন এক যুদ্ধে জড়ায়া আছে যেখানে জয় পাওয়া অসম্ভব। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

সাদিক সত্যাপনের কবিতা

অপার কুৎসিতের দিকে তাকাইয়া— বলো, সুন্দর!
সুন্দর হবে সেও।


 

আ আ ক্লান্তি মম

একটা টাইনি লিটল দূর
ক্রমে আসিতেছে কাছে
নীলিমার বুকে তার ঘ্রাণ ছড়াইয়া পড়তেছে— ঠায়!

এইক্ষণে আঘাত প্রচুর হা-হুতাশ করে
সাপের ফণা থিকা ঝরে যায় অনুদাত্ত সুর— ছোবলে।

বাতাসে খেলিতেছে হায়াত-মউত
এক লগে—
যে বাতাস একটু আগে ছুঁইয়া আসছে ফুল—
কাননে!

একটা টাইনি লিটল দূর
প্রকট হইতেছে ক্রমে
মগজে ছুটিতেছে ঘোড়া— পরাণে বাজতেছে খুর—
রণ ক্লান্তি ভরা দূর আসিতেছে কাছে।

 

সুফিতটে

আমার অঞ্চলে আমি, যেহেতু শীত।
এই ঋতুপথ দিয়া যতদূর যাই— কুয়াশা তিমির,
হু হু নিশুতি ভুবন।
বাদুড়ের ডানার শব্দে কেঁপে কেঁপে ওঠে বন। ত্রাসে।
কিছু রোইদ উড়ে যায় টেলকা বাতাসে।
তুহিন একটা শোকে কাঁপতেছে আঙন— এমনধারায়
কোনোরূপ বসন্তপট চুমে না ভ্রমর।

শীত মানে পিছনে ফালাইয়া আসা এক হেমন্তশহর!

‘দাশত-এ-তানহায়’
কিছু নিভৃত ফুলের চরিত্র আমি করতেছি প্লে—!
কি কোরে যে রেণুর অসুখ দ্যাখাই তোমারে মিতা।
অকূল তিয়াসার থও না পাইয়া যেনো
ডাঙাতে মাছের মতন ফাল পাড়তেছি,
জায়মান হৃদয়ে শুধু
আজব এক এ্যাবসার্ডিটি—সবকিছু মাত কোরে যায়।

হায়রে, ভাষাও জালেম!
তারে বোবা বানাইয়া, মনে লয়, নিরর্থ কোরে
অতিক্রান্ত হই— এইসব শীত ঋতুকাল।

ইমাজিন করি,
কোনো বরষা— ভুঁই কদম্বের দেশে,
মেঘ গাইতেছে অঝর কাজরী— শুনিতেছে মুগ্ধ বিকাল! পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

নাইন।। এরিক জারোসিনস্কি।। (লাস্ট পার্ট)

অনুবাদকের কথা

জার্মানি আর জার্মান ভাষা নিয়ে লেখা এফোরিজম বা জারোসিনস্কির নিজের মতে কৌতুকগুলা মূলত তার জীবনের খুব খারাপ একটা সময়ের বাই- প্রডাক্ট। কে এম রাকিব প্রথম আমাকে বইটা পড়তে দেন। প্রচলিত বা ভূতপূর্ব বা অভূতপূর্ব পরিবার সমাজ রাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থার উপর আমার অরুচির  তৎকালীন বা চিরন্তন যে  সুরতহাল সেটাই হয়তো তাকে এই কাজের কাজী করেছিলো। ট্যুইটার এ বিভিন্ন সময়ে দর্শন, শিল্প সাহিত্য, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা জারোসিনস্কির ট্যুইট যে এমন সাড়া ফেলে দিবে তা তার নিজেরও ধারণা ছিল না।

নাইন কোয়ার্টার্লি শিরোনামে করা এই উইটি পানি ট্যুইটগুলা ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১২৫টি দেশের প্রায় ১ লাখ মানুষের কাছে রিচ করতে পারছে। হালের বিখ্যাত দার্শনিক স্লাভয় জিজেক নাইন সম্বন্ধে বলছেন যে, “ট্যুইটার আমি পছন্দ করি না। আমি মনে করি যে এটা নিষিদ্ধ করা উচিত। কিন্তু জারোসিনস্কির নাইন হচ্ছে অন্য জিনিস, মূলত এই একটা জিনিসই ট্যুইটাররে জাস্টিফাই করে! তারে মনে হয় সাইকো সিনেমার র‍্যাডিক্যাল নরম্যান বেটস এর মতো শুধু ছুরির বদলে ট্যুইট দিয়া দ্রুত কাটাকুটি চালায়া যাইতেছেন!”

নিউ ইয়র্কে থাকেন এরিক জারোসিনস্কি, নিজেরে পরিচয় দেন ব্যর্থ দার্শনিক হিসাবে। আধুনিক জার্মান সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিটিক্যাল থিওরির প্রফেসরের দায়িত্ব ছেড়ে তিনি এখন এফোরিস্ট হয়ে উঠতে চাইতেছেন।

নাইনঃ আ মেনিফেস্টো মূলত ট্যুইটারে নাইন কোয়ার্টার্লি শিরোনামে পোস্টানো ওই জিনিসগুলারই একটা ভার্সন। মলাটের চশমাওলা মুখটা যার তিনি হইতেছেন থিওডর এডর্নো যারে নিয়া আমেরিকার নামীদামি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে  একটা চাকরি জোটাতে থিসিস পেপার খাড়া করতে চাইছিলেন জারোসিনস্কি। আর সেই একঘেঁয়ে যান্ত্রিক কাজকাম থিকা দুই দণ্ডের এসকেপ ছিলো সেই ট্যুইটগুলা।

দ্য নিউ ইয়র্কার, দ্য প্যারিস রিভিউ, ফ্র‍্যাংফুর্টার, ড্যের স্পিগেল, দ্য বিলিভার, দ্য ক্রনিকল অফ হায়ার এডুকেশন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, স্লেট ইত্যাদি হেভিওয়েট গণমাধ্যমে ছাপা হওয়া ও বিখ্যাত জারোসিনস্কির এই অসামান্য আকর্ষণীয় আর আগ্রহোদ্দীপক কাজগুলি বাংলা করতে গিয়া জার্মান কিছু শব্দ ছাড়া তেমন বিপাকে পড়তে হয় নাই আমার।

আর এর টেস্ট নিতে গিয়া আপনাদের ঠিক একই অভিজ্ঞতা হবে বলেই আমার ধারণা। হাজার হোক, শীতকাল, খেজুরের রসে নিপাহ ভাইরাসের সম্ভাবনা তাই তা পান করা থেকে বিরত থাইকা আসেন নাইন পান করি। কোন এক সকালে গ্রেগর সামসার আচমকা কীটে রূপান্তর হওয়া সত্ত্বেও প্রথমেই কাজে না যাইতে পারার আশংকা বা দুঃশ্চিন্তাকে যিনি বলছেন ডার্ক কৌতুক সেই ব্যক্তির নিজের কৌতুক আমাদের সবার একবার হলেও চেখে দেখা উচিত বলেই মনে করি আমি।

তানভীর হোসেন

……………………………………………………..

।। ।।

……………………………………………………..

গ্লোসারি

এডর্নোঃ YOLO’ র জার্মান ফর্ম।

এস্থেটিকসঃ আর্টলেসদের আর্ট।

এনালাইটিক ফিলসফিঃ যখন গণিতবিদরা ফিলসফিতে হাত দেন।

দুঃশ্চিন্তাঃ অজানা কিছুর প্রতি ভীতি। বিষণ্ণতাঃ চেনাজানা কিছুর ভীতি।

এফোরিজমসঃ ১. নতুন বোতলে পুরনো জাহাজ, ২. ব্যস্তদের জন্য দর্শন। কম রসবোধ সম্পন্নদের ব্যক্তিদের দ্বারা লিখিত।

আর্টঃ কোলরিজের চিত্রিত সাগরের উপর এনসিয়েন্ট মেরিনারের চিত্রিত জাহাজটার নীরবতা।

আর্টের ইতিহাসঃ আর্ট ব্যতিরেকে আর্টের ইতিহাস। ইতিহাস ব্যতিরেকে ইতিহাস।

এথিজমঃ প্রার্থনাহীন ধর্ম।

বেঞ্জামিন, ওয়াল্টারঃ ইতিহাস দ্বারা সংক্ষেপিত দর্শনের আহাজারি।

বইঃ সেই সময়কার পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন যখন শব্দের জন্য কাগজ অপচয় করা হইতো।

বোর্হেসঃ আর্হেন্তিনার সর্বশ্রেষ্ঠ জার্মান লেখক।

ব্রাঞ্চঃ ছুটির দিনে যার উপর সবাই আস্থাশীল।

ক্যাপিটালিস্টঃ রাষ্ট্রের জলদস্যু আক্রান্ত জাহাজ।

কম্যুনিজমঃ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র আক্রান্ত জাহাজ।

পরিবর্তনঃ যা আপনি চান। যখন, যেখানে এবং যেভাবে আপনি এইটা চান না। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য