Main menu

তু.সা.র. তুষার-এর কবিতা

ডাবের শাঁসের মত নরম মিঠা সকালটারে
লাল
সূর্যের ভিত্রের থেকে চায়ের চামিস দিয়া কোরায় কোরায়
বাইর করে সময়।
রাইতে আমার খুব ভালো ঘুম হইসে…
আমি স্বপ্নে দেখসি কত কিছু….
দেখসি ফুলের বাগান… একটা রাস্তা…
দুইভাগ হয়্যা দুই দিকে যায়;
দেখসি আমার স্কুলের মাঠ….
দেখসি একটা বাথরুম নাকে পেশাবের তাজা গন্ধ….
তারপরে দেখি একটা খালি করিডর….
করিডরের নানান দিকে নানান ঘর….
কোনো ঘর উঁচা কোনো ঘর নিচা….
সিড়ি আর সিড়ি….সিড়ি আর সিড়ি….
কোনোডা উপ্রে উঠসে কোনোডা নিচে নামসে….
অন্ধকার আর আলো আর সিড়ি….
আমি পেশাব কইরা হাত ধুইতেসি আয়নায় তাকায় তাকায়
আয়নার ভিত্রের থেকে আমি দেখি যে আমি হাত ধুইতেসি
দেখি এক বন্ধুর বউ- লাল জামা পরা…
নসিলা খায়, চার চামিস দিয়া কোরায় কোরায়…
একটা নীল বাক্স….
তার ঠোঁট য্যান দুইটা নরম শুয়া পোকা…

১২/২/২০১৮
সকাল ১১:০০ টা

 

মামা রং রং রং খালি চাইরদিকে রং মামা
রঙ্গীলা দুনিয়ার খোলে দেখবা শুধু মায়ের কোলে
জিন্দা হয়্যা বয়্যা থাকে নাদান বিচি গণ,
তারা রিং চিপ্স খাইতে চায় তারা চকোলেটে সায়
দিয়া তোমার আমার পকেট থিকা সময় লয়্যা যায়…
মামা কাগো কথা কই কওতো কইতে পারলে সই
দিমু তোমারে আমার থিকা এক প্যাকেট নতুন তাজা
ফেরেশ সকাল ভাজা- ঠান্ডা কুয়াশা দিয়া, হালকা আগুনের
উপ্রে- মুড়মুড়াইয়া ভাইজা দিমু তাজা মুরির লগে- তোমার
খায়া দিলখুশ আমার তাজা দিল তুষ, হয়্যা যায় যহন
দেখি রাজা টেরাম্প-বুশে মানুষ মাইরা হোতায়ালছে ইরাক- ইরাণ-
রুশে, আমগো কিছুই হয় না….তেইল্যার টাকে ত্যাল দিতে
শরম করেনা আমগো- ভালোই জানা ভাইরে এমন কত
টিরিক্স, মামু গোয়ার চামড়া তুইল্যা ফালাও মাইরা তাজা
শিরিষ- তবু মুখ খুলুম না আমরা নিজের ট্যাকের ট্যাক্সো দিয়া
ভালা রাস্তা ভাইঙ্গা দিয়া নতুন কইরা তৈরি করমু- উষ্টা খামু না-
আমরা সেইরকম মাল- মামু মাছ আমরা চুরি করিনা- চুরি করি
খাল- তবে সময় বুইঝ্যা কইরে তালই সময় বুইঝ্যা লই;
বাপে যহন মাসি চোদে, আমরা তহন শীতের রইদে- গোয়া তুইলা
আকাশ পানে নিচে চায়া রই কারণ বাপের হাতে ডান্ডা-
কইরা দিব ঠান্ডা যদি এহন কথা কই তাইতো চুপ কইরা রই;
একদিন বাপে পড়বো খাদে; আমরা বাড়ির ছাদে, বাপের নৌকা লয়্যা
বাইয়া যামু, ফরফরায়া চায়া রমু বাপে আমগো ডুইবা মরবো
সত্যি কথা কই। এই সব আমরা আগেই জানি দেখলাম কত
রাজা-রাণী আইলো গ্যালো মাঘে-পৌষে, আমরাই পইড়া রই।
তাইতো কথা বলি না, মায়ের কোলে বয়্যা থাকি
বড় পর্দায় ফিলিম দেখি, নাক টিপা দুধ খায়া সস্তা মজা লই।
কওতো কাগো কতা কই? মামু রং রং রং……

৩০/১১/২০১৭
সকাল ১০:৫১

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

কেচ্ছা কাহিনি (১)

এখন না স্ক্রীণশট (মেসেঞ্জার, ভাইবার বা হোয়াটসঅ্যাপে’র) দিয়া সিক্রেট জিনিস’রে পাবলিক করার একটা তরিকা বাইর হইছে, কিন্তু তারপরও, কেচ্ছা-কাহিনি জিনিসটা তার ভিজিবিলিটি’র উপরই বেইজ করে না। বরং বলা’টা অনেকটা একতরফা টাইপের ব্যাপার; পাবলিকলি, প্রাইভেটলি বা সিক্রেটলিই ঘটুক। আর এই ঘটনাগুলি কেচ্ছা-কাহিনি হিসাবে কওয়ার রেওয়াজ আছে ওয়ান টু কথা-বার্তা, আড্ডাতে বা পাবলিক আলাপেও। স্ক্যান্ডালও কওয়া যায় কিছু ঘটনা’রে। কিন্তু ডিটেইলগুলি খুব স্ট্রং কোন রেফারেন্স দিয়া প্রমাণ করা’টা টাফ। এইরকম সোশ্যাল, পলিটিক্যাল, আর্ট-কালচারের কিছু কেচ্ছা-কাহিনি এই সিরিজে রাখার ইচ্ছা আছে আমরা’র।

——————————————————————–
 

লাঁকা আর দেল্যুজ

জিল দেল্যুজ (১৯২৫-১৯৯৫) মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে, আরেক ফরাসী দার্শনিক Didier Eribon তারে জিগাইছিলেন লাঁকা’র (১৯০১-১৯৮১) লগে উনার যোগাযোগ কেমন আছিলো। দেল্যুজ তারে তখন একটা কাহিনি শোনাইছিলেন, যেইটা ছিল, এইরকম:

‘লাঁকা আমার একটা বই (মাসোইজম: কোল্ডনেস এন্ড ক্রুয়েলিটি, ১৯৬৭) নিয়া আলোচনা করছিলেন উনার এক সেমিনারে। লোকজন আমারে এইটা নিয়া কইছিলো, যদিও আমি এর চাইতে বেশি কিছু জানতাম না যে, উনি আমার বই নিয়া এক ঘন্টারও বেশি সময় কথা কইছিলেন। এরপর তিনি লিয়েনে একটা সেমিনারে আইছিলেন, যেইখানে আমি তখন পড়াইতাম।

ওইখানে উনি একটা সিরিয়াস ওয়াজ করলেন… উনি উনার বিখ্যাত ফর্মূলার কথা কইলেন যে, “সাইকোঅ্যানালাইসিস সবকিছুই করতে পারে, খালি একটা ইডিয়টকে বুদ্ধিমান বানানো ছাড়া।” সেমিনারের পরে উনি আমরা’র লগে ডিনার  করতে আইছিলেন। যেহেতু উনি খুব দেরি কইরা ঘুমাইতে যাইতেন, অনেক লম্বা সময় উনি আছিলেন। আমার মনে আছে, যখন মাইঝ রাত পার হইয়া গেছে তখন উনার একটা স্পেশাল হুইস্কি খাওয়ার বাই উঠলো। বিলিভ মি, ওইটা একটা ভয়াবহ রাত আছিলো।

উনার লগে ওয়ান টু ওয়ান দেখা হওয়ার ঘটনাটা ঘটছিলো এন্টি-অডিপাস পাবলিশ হওয়ার পরে। আমি শিওর আছিলাম যে, উনি এইটা ভালোভাবে নেন নাই। উনি চেতছিলেন আমার এবং ফেলিক্সের উপ্রে। কিন্তু এর কয়েকমাস পরে উনি আমারে খবর পাঠাইলেন, দেখা করার লাইগা। আর অন্য কোন কথা কন নাই। খবরটা হইলো, ‘উনি আমারে দেখতে চান’। তো, আমিও গেলাম। উনি আমারে উনার ওয়েটিং রুমে বসায়া রাখলেন। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

ফিলোসফি আর পলিটিক্স – অ্যালান বাদিউ

ফরাসি ফিলোসফার অ্যালান বাদিউ উনার এই লেখাটা পরে আরো বিস্তারিত করছেন ‌’ইনফিনিট থট’ (২০০৩/২০০৫) বইয়ে। ইনসাফ, ট্রুথ আর ইক্যুয়ালিটি নিয়া কথাগুলি’রে আরো এক্সপ্লেইন করছেন। এই জিনিসগুলি যেমন খুব অবজেক্টিভ টার্ম না, আবার সাবজেক্টিভ সিচুয়েশনও না। বাদিউ’র মতে, যেই পলিটিক্যাল ইন্সটিটিউটগুলির কাছে আমরা এক্সপেক্ট করি যে, ইনসাফ করবে; তাদের (এখনকার লিবারাল ডেমোক্রেটিক স্টেইট-ই হোক আর পুরানা সোশ্যালিস্ট স্টেইট) পলিটিক্যাল স্ট্রাকচারের কারণেই ফিলোসফিক্যালি এইটা পসিবল না। বরং যে কোন রিভোল্ট বা রেভিউলেশন শুরুই হয়, ইনসাফ আর ইক্যুয়ালিটির নাম নিয়া। ইনসাফ হইতেছে ইনকনসিসটেন্সি’র জায়গাটা যেইখানে পলিটিক্যাল পরিস্থিতিগুলি বাঁইকা যাইতে শুরু করে।

তো, বাদিউ ফিলোসফি’র জায়গা থিকাই পলিটিক্যাল জায়গাগুলিরে দেখছেন যেইখানে পলিটিক্যাল সিচুয়েশনগুলি অনেক ক্রিটিক্যাল মোমেন্টে ফিলোসফি’র জায়গাটাতে চইলা আসতে পারে বা না আইসা পারে না। একজেক্ট ফিলোসফিক্যাল পলিটিক্যাল স্ট্রাকচার পসিবল কিনা বা কেমনে পসিবল হইতে পারে – ওই জায়গাটাতে উনি যান নাই। রিলেশনটারেই উনি যাচাই করতে চাইছেন। 

এই ইংরেজি ভার্সন’টা ছাপা হইছিলো ‘রেডিক্যাল ফিলোসফি’র ৯৬ নাম্বার পাবলিকেশনে (জুলাই/অগাস্ট ১৯৯৯)। ফরাসী থিকা ইংরেজি’তে কনভার্ট করছিলেন Thelma Sowley.

ই. হা.

————————————————————

প্লেটো থিকা শুরু কইরা আজকে পর্যন্ত, একটা শব্দ আছে যেইটা পলিটিক্স নিয়া ফিলোসফারদের কনসার্নটারে পুরাপুরি কইতে পারে। এই শব্দটা হইতেছে “ইনসাফ” (Justice)। পলিটিক্সের দিকে ফিলোসফারের প্রশ্নটা এইরকম: একটা ইনসাফের পলিটিক্যাল ওরিয়েন্টেশন কি সম্ভব? এমন একটা ওরিয়েন্টেশন যেইটা চিন্তার প্রতি ইনসাফ করতে পারবো? যেইটা দিয়া আমরা শুরু করতে পারি, সেইটা হইতেছে: বে-ইনসাফি’টা (বা অবিচার’টা) ক্লিয়ার, ইনসাফ করাটা ঝাপসা। যার প্রতি অবিচার করা হইলো, সে এইটা এমনিতেই টের পায়। কিন্তু ইনসাফ’টা যাচাই করবো কেডা? অবিচারের একটা এফেক্ট আছে – একটা যন্ত্রণা হয়, একটা বিদ্রোহ দেখা দেয়। অথচ দেখেন, এমন কিছুই নাই যা ইনসাফ’রে বুঝায়, যেইটারে কোন ঘটনা দিয়া বা অনভূতি দিয়া দেখানো সম্ভব।

তাইলে কি আমরা এইটা বইলাই বাদ দিবো যে, ইনসাফ হইতেছে খালি অবিচার না করাটা? এইটা কি দুইবার বাতিল করার পরে একটা ফাঁপা নিরপেক্ষতা? আমি এইটা মনে করি না। আমি এইটাও মনে করি না যে, অবিচার দেখতে পাওয়ার, এক্সপেরিয়েন্স করার বা সাবজেক্টিভ একটা জিনিস; বা ইনসাফ হইতেছে বুঝতে পারার, বা যুক্তি’র বা অবজেক্টিভ একটা ব্যাপার। অবিচার ইনসাফের ইমিডিয়েট কোন বিশৃঙ্খলা না, যেইখানে ইনসাফ হইতেছে আদর্শ একটা অবস্থা।

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য