Main menu

বাংলাদেশি বাংলায় গান (১)

বাংলাদেশি বাংলা গানের লিস্ট বানাইতেছি। ব্যাপারটা কম্যুনাল না, ডেমোক্রেটিক। ব্যাপারটা ভোকাবুলারির না, এটিচ্যুডের। মিউজিক লইয়া কইতে পারি না বেশি, স্রেফ মালুম হয়, কোন একটা ভঙ্গি আছে, তফাতের বইলা বুঝতে পারি, মিউজিক কম বুঝি বইলা বুঝাইতে মুশকিল হয়।

তো, বাংলাদেশি বাংলা কেমন? অনেকগুলি দিক আছে, এইখানে একটার কথাই কইতেছি। বাংলাদেশের বাঙালিরা ক্লাস-রিলিজিয়ন-মিডিয়াম উতরাইয়া যেই বাংলাটা বোঝে, কয়–সেই বাংলাটা। সবাই বোঝে তেমন বাংলা না পাইতেই পারি, কোন জরিপও নাই আসলে, তবু অনুমান করি একটা বাংলা বেশির ভাগ বাঙালি বোঝে বাংলাদেশের, সেই বাংলায় ইন্টার-ক্লাস, ইন্টার-মিডিয়াম আলাপ করে, আড্ডা মারে, গালি দেয়, পিরিত করে, আদর করে, ভাবে। সেই বাংলাটা চিনতে আর চিনাইতে চাইতেছি এই গানগুলির ভিতর দিয়া।

[গানের ইনফরমেশনগুলি নানান সোর্স থিকা নেয়া হইছে, অথেনিটিসির ব্যাপারে কিছুটা ডাউটফুল।…  ]

……………………………………………………………….

কি যাদু করিলা পিরীতি শিখাইলা

সিনেমা – রঙিন প্রাণ সজনী। লিরিকস – মনিরুজ্জামান মনির। সুর – আলম খান। গাইছেন – সাবিনা ইয়াসমিন আর অ্যান্ড্রু কিশোর।

কি যাদু করিলা পিরীতি শিখাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে

কি মন্ত্র পড়িলা ভাবেতে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে।।

নয়ন জুড়াইলা পরান কাড়িলা।
মরমে বাজাইলা মধুর বাঁশী

পড়ে গো ধলিয়া হাসিয়া হাসিয়া।
তোমারি মুখেতে পূর্ণ শশী

কি কথা কহিয়া পাগল বানাইলা
কিছুতে পারিনা সহিতে প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা সহিতে

কি মন্ত্র পড়িলা ভাবেতে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে

আমার লাগিয়া নিরালে বসিয়া।
তোমারে যতনে গড়িল বিধি

মরিব মরণে তোমারি বিহনে।
তোমারে জীবনে না পাই যদি

কি মালা গাঁথিলা আমারে পরাইলা
কিছুতে পারিনা খুলিতে প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা খুলিতে।। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

ইমেজ রিডিং নিয়া কয়েকটা কথা

সাভারে রানা প্লাজা বিল্ডিংটা ভাইঙ্গা পড়ার পরে তসলিমা আকতার একটা ছবি তুলছিলেন, খুব ছড়াইছিলো ছবিটা, প্রাইজও পাইছিলো মনেহয় একটা বা কয়েকটা। 

তো, অই ছবিটা’তে একজন বেটা একজন বেটিরে জড়‌ায়া ধইরা ছিলো। ছবি’র অ্যাঙ্গেলটা দেইখা পয়লাই মনে হবে, পিরীতের ছবি এইটা। (মরণ কালে যেন বন্ধু একবার তোমায় পাই… মুজিব পরদেশী’র এই গানও মনে হইতে পারে। যেন সাকসেকফুললি স্যাটিসফাইড হইতেছে, গানের ডিজায়ার। মানে, গানের উথাল-পাতাল ইমোশনটার একটা প্রজেকশন পাইতে পারেন ছবিটাতে, এইটা খুবই পসিবল হইতে পারে। ) ফটোগ্রাফার মেবি নাম দিছিলেন  – “Final Embrace”। কিন্তু উনি এমনিতে যা-ই কন বা ক্যাপশন দিয়াও যা কইবেন তার চাইতে বেশি তো কইতে চাইবেন উনার ক্যামেরা দিয়াই। এমনিতে একটা সাইটে ক্যাপশন দিছে – A couple holding each other while collapsed under Rana Plaza.

অ্যা কাপল! :)

ইমেজের মিনিং তো একটা স্ট্রাইক করবে আপনার মনে অ্যাজ অ্যা ভিউয়ার, অ্যাজ অ্যা অডিয়েন্স। তো, একটু ডিফেন্সিফ হইলে বা পিরীতি নিয়া না ভাবতে চাইলে ‘মানবতা’র (হাসির ইমোটা দিবো কিনা কনফিউজড একটু) ছবি হিসাবেও হয়তো ভাবা যাইতে পারে। যে, মরা’র সময় দুইজন দুইজন’রে আঁকড়াইয়া ধরছে। একটু ডিফিকাল্টই এই ইমাজিনেশনটা। অবশ্য তারাশঙ্করেরই মনেহয় একটা গল্প আছিলো, তারিনী মাঝি বা এইরকম কোন নাম (সরি, ঠিক রেফারেন্স দিতে পারতেছি না বইলা, কিন্তু এইরকম একটা গল্প যে উনার আছে, আমি শিওর), যেইখানে বিলাভেড বউ নৌকা ডুইবা যাওয়ার টাইমে যখণ জামাইরে ধরতে গেছে বাঁচার লাইগা তখন তারে চুবায়া না মারলেও জোর কইরা তারে ছাড়ায়া নিছিলো জামাই বাঁচার লাইগা। [আওয়ামী ইন্টেলেকচুয়াল’রা আবার পইড়া রাখতে পারেন, গল্পটা।] তো, মরা’র সময় পিরীতি ছাইড়া দিয়াও যখন কেউ বাঁচতে চাইতেছে, তখন ‘মানবতা’র কথা ভাইবা, ‘লও, এক লগে জড়াজড়ি কইরা মরি’ ব্যাপারটা ঠিক যুইতের হওয়ার কথা না।

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

প্রিয় প্রিয়ভাষিণী

ওই সময়টায় আমি খুব আর্ট একজবিশন দেখে বেড়াইতাম। দেখতামই শুধু, কোন আর্ট-ওয়ার্ক কেনার কথা ঘুণাক্ষরেও ভাবতাম না। তবু একদিন, সৈয়দ ইকবালের আঁকা গৌতম বুদ্ধের একটা পেইন্টিং খুব মনে ধরে যাওয়ায় দাম জিজ্ঞেস করে বসছিলাম। ওই পেইন্টিং-টার দাম ছিলো ৪০,০০০ টাকা। তো তাতে একটা ধারণা পাইছিলাম আর কি, কেমন আকাশচুম্বী দাম (নাকি মূল্য বলতে হয়?) হয় ওইসব ফাইন আর্টের।

সেই সময় একদিন, কার কাছে যেন শুনলাম, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনীর কোন একটা কাজ নিজের সংগ্রহে নিতে কোটি টাকা দাম দিতে চাইছেন আবুল খায়ের লিটু। কিন্তু প্রিয়ভাষিণী আগেই সেই ভাস্কর্যটা তাঁর এক বান্ধবীকে উপহার দিয়ে দেয়াতে লিটুর প্রস্তাবে তিনি নাকি রাজি হন নাই। তো যেই ভাস্কর্যের জন্য কোটি টাকার অফার ফিরাইয়া দিলেন তিনি, তার দাম এমনিতে কত হইতে পারে আসলে, তা জানার কিউরিওসিটি থেকেই সেই একজিবিশনে গিয়ে আমি মূল্যতালিকাটা দেখতে চাইছিলাম।

এবং তারপর অবাক হয়ে দেখছিলাম সেখানে ১,৫০০-২,০০০ টাকার কিছু কাজও আছে! সবথেকে দামী কাজটা সম্ভবত ছিলো ২৫,০০০ টাকার। যদিও ততদিনে অধিকাংশ আইটেমই ছিলো “সোল্ড”, বেশ কিছু “সস্তা” কাজ তখনো “আনসোল্ড” ছিলো। সেগুলার মাঝে আমার সবথেকে ভালো লাগছিলো একটা বকপাখি, ৬,০০০ টাকা দাম ছিলো ওইটার; বাট ইট ওয়াজ স্টিল আ লিটল আউট অফ মাই রিচ!

তো ওরকম মওকা পেয়ে ঠিক করলাম, কিনেই ফেলা যাক একটা আর্ট-ওয়ার্ক। আমার বাজেটের মধ্যে অবশ্য তখন অবশিষ্ট ছিলো শুধু কিছু “মিশ্র গাছ”। ভাবলাম মিশ্র-গাছই সই! কিন্তু সব মিশ্র-গাছই দেখতে ছিলো প্রায় কাছাকাছি, কোনটা রেখে যে কোনটা নেই- কিছুতেই যখন সিদ্ধান্তে আসতে পারতেছিলাম না, আমার পাশে এসে একজন বলছিলেন, “তুমি ওই বকপাখিটাই নিয়ে যাও, বাকি টাকাটা পরে কখনো দিও।“ 😀

প্রিয়ভাষিণী আমাকে সেই সুযোগটা দেয়াতে আমার সবথেকে বড় প্রাপ্তিটা কী হইছিলো জানেন? পরে আরো কয়েকবার সেই উছিলায় তাঁর সাথে দেখা করতে যাওয়া গেছিলো। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য