Main menu

তিনখানা নারীবাদ ।। দুই নম্বরঃ এল বাই পল ভারহোভেন (বেসড অন দা নভেল – ওহ… বাই ফিলিপ জিঞ)

এলে যেটা দেখায়, এইটার যিনি সেন্ট্রাল ক্যারেক্টার তিনি ধর্ষিত হন। একবার না কয়েকবারই ধর্ষিত হন। মানে কোন কেইস ফাইল তিনি করতে চাননাই; ফলে দেখা যাইতেছে মাঝে মাঝেই তিনি ধর্ষিত হইতেছিলেন। কেস ফাইল করার চাইতে যেন তার কৌতহলটাই বেশি এইটা জানা যে কে তারে ধর্ষণ করতেছেন; যিনি ধর্ষক তিনি মুখটুখ ঢাইকা আর কি ধর্ষণ করতেন। এইটা তার কাছে একটা কিউরিয়াস কেইস হইয়া দাঁড়ায়। ধর্ষণটা যেন ধর্ষণ হইয়া উঠতে পারতেছেনা ঠিক। সেইটা একটা আগন্তুকের সাথে সেক্স করা মাত্র; অবশ্যই পার্ভার্স ওয়েতে, যেখানে এপারেন্টলি ধর্ষিতা নিজেই সিমস টু এনজয় দা সেক্স, যেন এক্সিডেন্টালি ধর্ষিতা তার নিজের একটা সেক্সুয়াল ফেটিশ আবিষ্কার কইরা ফেলছে। মানে বুঝাই যাইতেছে এইটারে একটা ফরাসি ছবিই হইতে হবে 😛 ।
.
এখন রেইপের টেরিটরিটা বোঝা লাগে। 


.
এলে ধরেন, ধর্ষক যে রেইপ করতেছে এইটা ধর্ষকের প্রস্তুতিতেই ধরা পড়তেছে। কিন্তু ধর্ষিতা নিজেরে রেইপড মনে করতেছেনা, তখন কি এইটা ধর্ষণ হবে? ভিক্টিম নাই তো! আমি বলবো, ফান্ডামেন্টালি, নারীর ভিক্টিম না হওয়ার স্বাধীনতা আছে কি না সেইটাও নারীর স্বাধীনতা বিষয়ক আলাপের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মানে রেইপ ঘটলেই যে রেপিস্টের ফাঁসি চাইয়া ফানা হইয়া যাইতেই হবে তা না। রেইপ যেরকম একটা পুরুষতান্ত্রিক সমস্যা, ভিক্টিমরে অতিক্রম কইরা সমস্ত সামাজিক শক্তি দিয়া রেপিস্টের বিচার চাওয়াটাও একটা পুরুষতান্ত্রিক সমস্যাই। নারীরে অতিক্রম কইরা নারীর সম্ভ্রম যে পরিবার, পিতা, স্বামী/ হবু স্বামীর ব্যাপার হইয়া দাড়াইছে তা এই বিচার চাওয়ার অবসেশনের মধ্য দিয়া প্রকাশিত হয়। এই জিনিসটা আসগার ফারহাদির দা সেলসম্যানেও ভালো দেখা গেছে। ওইখানে বউ যার দ্বারা হ্যারাসড হইসে, তারে শায়েস্তা করার ব্যাপারে তার স্বামী যেমনে অবসেসড হইয়া গেছিল, যেন বউয়ের হ্যারাসড হওয়ার চাইতেও বউয়ের হ্যারাসড হওয়ার মধ্য দিয়া স্বামীর বেইজ্জতি হওয়াটা বড় হইয়া উঠসে। মানে ভিক্টিমরে ছোট কইরাই এইসব বিচার চাওয়ার হিস্টেরিয়াগুলা বড় হয়। রেপ যে কার্যত একটা মেইল ইগোট্রি মাত্র, তা পূর্নরূপে প্রকাশিত হয়, যখন নারীর কাছে যৌন ব্যাপারে যাবতীয় চয়েসগুলি এভেইলেবল হইতে থাকে। তখন ধর্ষিতা যেন আসলেই ধর্ষিত হন সেইটা ধর্ষকরে নিশ্চিত করা লাগে, তারে দিনকে দিন আরও ভায়োলেন্ট হইয়া উঠতে হয়- ধর্ষিতারে খুন করা লাগে। এলেও ধর্ষক শেষমেশ ধরাটা খায় ওই ভায়োলেন্ট হইতে গিয়াই- সে ধর্ষিতার প্রাণ সংহারে উদ্যত হয়।
.
ধর্ষণ সম্পর্কিত যেকোন আলাপ যেন সম্ভ্রমমুখী না হইয়া ওঠে সেইটা খেয়াল রাখা জরুরী। বরং নারীর (বা পুরুষের) পারসোনাল চয়েজ ও সামাজিক স্পেসরে কর্তন বা বাতিল কইরাই ধর্ষণ যে ধর্ষণ হইয়া ওঠে, সেই চয়েজ ও স্পেসের ওপরই স্ট্রেস দিতে হবে। এলেতে হুপেয়ারের যে চরিত্র সে ওই চয়েজের স্বাধীনতাগুলির মইধ্যেই বড় হইছে। হুপেয়ারের যে ক্যারেক্টার(মিশেল) তার চেহারা আন্দাজে বয়স চল্লিশ আপ ধরা যায়। মানে আটষট্টি বা আটষট্টি পরবর্তী ভাইবের মইধ্যে ক্যারেক্টারটা বাইড়া উঠছে।
পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

মিথ্যার লগে কাভি কইরো না বসবাস ।। আলেকজান্দার সলঝেনিৎসিন

[আলেকজান্দার সলঝেনিৎসিন এই এসেখানা লিখিয়াছিলেন ঈসায়ী ’৭৪ সনে। আর অইসময়ের মাঝেই মস্কোর বুদ্ধি ব্যবসায়ীদিগের পাড়ায় উহা রটিত হইয়াছিল। ১২ ফেব্রুয়ারি, অ্যাকচুয়ালি অইদিনই সিক্রেট পুলিশ তাঁর অ্যাপার্টমেন্টে হান্দাইয়া পড়ে আর তারে তুইলা নিয়া যায়। পরেরদিন রাশিয়া হইতে তাঁরে বিতাড়িত করা হয় আর পশ্চিম জার্মান দ্যাশে নির্বাসনে পাঠানো হয়। মূল লেখাখানা লওয়া হইছে https://archive.org/details/LiveNotByLies হইতে। – মেহরাব ইফতি।]

…………………………………………..

একটা সময় আছিল যখন আমরা ফিসফিস কইরা বাৎচিত করতেও ডরাইতাম। এখন আমরা হাতে লেখা নিষিদ্ধ চোরাই বই পড়ি ও লেখি, আর কখনো কখনো আমরা যখন সায়েন্স ইন্সটিটিউটের স্মোক-জোনে একলগে জড়ো হই তখন একজন আরেকজনের কাছে দিল খুইলা ক্ষোভের কথা উগরাই : কীরকম ট্রিকস তারা আমাদের উপ্রে খাটাইতেছে, আর আমাগোরে কোথায় টাইনা নিয়া নামাইতেছে। চক্ষের সামনে গরিবি আর ধ্বংসযজ্ঞের আযাব, আর এদিকে মহাকাশ লইয়া আজাইরা লম্ফঝম্ফ। কোনহানের কোন বেতমিয রেজিম, তাগো হাত শক্ত করো। লাগাইয়া দাও গৃহযুদ্ধ। কোনো হিশাব-নিকাশ না কইরাই ওরা আমাগো টেকায় মাও জে দংয়ের পিছে গিয়া খাঁড়াইছে, তারপর আমাগোরেই পাঠাইয়া দিব তাঁর লগে কাইজ্জা করার লাইগ্যা, যাইতেই তো হবে আমাদের! আর কি কোনো উপায় আছে? নিজেগো ইচ্ছা মতো তারা যারে চায় ট্রায়ালে খাঁড়া করাবে, বিবেকওয়ালা সুস্থ মানুষগুলারে অ্যাসাইলামে দিবে- সবসময় তারাই। আমরা তো হইলাম গিয়া ধইঞ্চা। আমাদের আখেরি সময় হইয়া আসছে। একটা বারোয়ারি আত্মিক মরণ এই ফাঁকে আমাগো সবাইরে টাচ কইরা গেছে, খুব জলদিই আমাদের এবং আমাগো পোলা-মাইয়াদের শারীরিক মৃত্যু গ্রাস করবে। এতো কিছুর পরেও আমরা ভোকচোদের মতো হাসতেছি আর মিনমিন কইরা কইতেছি : ‘কিন্তু এইটা থামাইতে আমরা কি করতে পারি? আমাদের তো নাই কোনো হেডম।’ আমরা এইর’ম জাহেল হইছি যে, আজকের দিনের রিজিকের ন্যায্য হিস্যার লাইগ্যা আমরা ত্যাগ করতে পারি আমাগো সব এথিক্স, আমাগো আত্মা, আমাদের পূর্বপুরুষদের সবরকম প্রচেষ্টা, এমনকি আমাগো ওয়ারিশদের জন্য রাখা সকল সুযোগ সুবিধাও- লেকিন আমাগো ভঙ্গুর অস্তিত্বরে বিরক্ত করা যাইব না। আমাগো নিষ্ঠা নাই, নাই কোনো আত্মাভিমান, না আছে প্রবল উদ্যম। এমনকি আমরা দুনিয়াব্যাপী পারমাণবিক যুদ্ধের বিভীষিকারেও ডরাই না, ইভেন আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধরেও অতো কেয়ার করি না। ইতিমধ্যে আমরা গর্তের ভিত্রে শেল্টার লইছি। নাগরিক হিম্মতের পথে পা আগাইতেই আমাদের যত ডর। ভেড়ার পালের বাইরে ডরে এক পাও একলা মাড়াই নাই আমরা- আর রাতারাতি আমাগোরে খুঁইজা পাইলাম ধবলা রুটি ছাড়া, হিটিং গ্যাস ছাড়া, এমনকি মস্কোতে থাকনের ছাড়পত্রটাও বেহাত।

পলিটিক্যাল স্টাডি সার্কেল দিয়া আমাগোরে তালিম দেওয়া হইছে, আর এভাবেই আমাদের বাকি জীবন কাটানো ভালো- আরামে বসবাস করার এইর’ম আইডিয়ায় আমাগোরে উৎসাহিত করা হইছে। তুমি তোমার পরিবেশ এবং সোশ্যাল কন্ডিশন থেকে পলাইতে পারো না। হরহামেশা চেতনা জীবনের অস্তিত্বরে পরিমাপ করে। কিন্তু আমাদের করার আছেটা কী? আমরা কি এই ব্যাপারে কিস্যু করতে পারি না?

সত্যটা হইল, আমরা অবশ্যই কিছু করতে পারি। মিছা কথা কইয়া আমরা নিজেরাই নিজেগোরে ঠকাইতেছি। তাগোরে সবকিছুর লাইগ্যা ব্লেইম কইরা লাভ নাই, এগুলার দায় আমাদেরই লইতে হবে। কেউ হয়ত খুব-তেরেসে কইতে পারে : আমাদের টুঁটি চাইপা ধরা হইছে। না কেউ আমাগো কথা কানে তোলে না কেউ আমাগোরে পুছে। আমরা কিভাবে তাগোরে শুনতে বাধ্য করতে পারি? তাগো চিন্তা পরিবর্তন কইরা ফেলবো আমরা- এইটা তো অসম্ভব।

আমাদের দেশে ইলেকশনের অইরকম পরিস্থিতি নাই- কিন্তু ফিরা নির্বাচন দিয়া তাগোরে খেদাইতে পারলে মেবি বিষয়টা স্বাভাবিক হইত। স্ট্রাইক, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ- এইগুলা পশ্চিমের লোকদের জানা আছে, কিন্তু আমরা নিপীড়িত। এইটা তো আমাদের কাছে ভয়ানক এক্সপেকটেশন যে, হুট কইরা একজন ক্যামনে চাকরী ছাইড়া দিয়া রাস্তায় নাইমা যাইতে পারে? এছাড়াও গত শতাব্দীর রাশান ইতিহাসের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে নমুনা হিশাবে আরো কিছু ডেঞ্জারাস ওয়ে আছে আমাগো সামনে। যাইহোক, এগুলা আমাদের জন্য না। আর সত্যি কইতে কি এগুলার আর দরকার নাই। কুড়াল মারার কামকাইজ শেষ হইয়া যাওনের পর যে বীজগুলা বোনা হইছিল অইগুলা জাইগা উঠতেছে। যেসব পোলাপান আর অহংকারী বেকুব লোকেরা এইটা ভাবছিল যে সন্ত্রাস, রক্তাক্ত ক্যু আর সিবিল ওয়ারের ভিতর দিয়া দেশটারে তারা সুখের নহরে ভাসাইয়া দিবে, তারা যে কি পরিমাণ দিশাহীন আর গলদ ধান্দার ফাঁপরে আছিল এইটা আমরা এখন দেখতে পাইতেছি। নবজাগরণের আব্বারা, আপনাগো পদে পদে সেলাম। আমরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাইতেছি যে, মন্দ কাম মন্দ ফলেরই জন্ম দেয়। এরপরও আমরা চাই আমাগো হাতগুলা সাফসুতোর থাকুক! এই চক্করের কি এইখানেই শেষ? এইটা থেকে বাইর হওনের আর কি কোনো রাস্তা নাই? কোনো অ্যাকশন না নিয়া আচম্বিত কিছুর লাইগ্যা অপেক্ষা করা – আমাদের হাতে কি সেরেফ এই একটা উপায়ই বাঁইচা আছে? এইটা কখনোই সম্ভব হইব না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা নিজেগোরে মিছা কথার চক্কর থেকে আলাদা করতে পারমু। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

আবিদ আজাদের কবিতা

‘৭০-এ বাংলাদেশে ‘কবিতা’ হয় নাই, শ্লোগান হইছে – এইরকমের একটা প্রপাগান্ডা চালু আছে বাজারে আর আবিদ আজাদ হইতেছেন এর মেইন ভিক্টিম। আবিদ আজাদের কবিতা পড়লে উনার কবিতারে কেন এক রকমের ‘পাতলা’ হিসাবে ট্যাগ দেয়া হইছে সেইটা এক রকম আন্দাজ করা যাইতে পারে। এক হইলো, সংস্কৃত শব্দ বা জিভ দিয়া দাঁত ছুঁইতে হয়, এইরকম ওয়ার্ড অলমোস্ট মিসিং উনার কবিতায়, যেইটারে ‘কবিতা’ বইলা পারসিভ করতে পারি আমরা। দুসরা হইলো, উনার কবিতার জায়গা’টা। আল মাহমুদ যেইভাবে কলকাতার দেখা বাংলাদেশের ‘গ্রাম-বাংলা’রে আপহোল্ড করতে পারছেন বা শহীদ কাদরি ইউরোপিয়ান একটা শহর-ধারণারে, সেইটা কমবেশি মিসিং আবিদ আজাদের কবিতায়; উনি এমন একটা পারসোনালিটি থিকা কথা কইতেছেন, যে কিনা মফস্বল থিকা আসছে, ঢাকা শহরে থাকতেছে আর কলকাতার কোন ড্রিম ছাড়াই (কেমনে পসিবল!)।

কিন্তু আবিদ আজাদ নিজে খুব কনশাস আছিলেন এই জায়গাগুলি নিয়া, এইটা মনেহয় নাই। ‘কবি’ আইডেন্টিটি’টা স্টিল উনার কাছে ‘ফেইলওর’ একটা ঘটনাই; একটা সোসাইটিতে উনি ‘কবি’ হয়াই বাঁচতে চাইছেন আর মরতেও চাইছেন কবি হওয়ার বেনিফিটগুলি নিয়াই।

কবি আবিদ আজাদের কবিতাগুলি আবার পড়ার সাজেশন হিসাবে কয়েকটা কবিতা রাখা হইলো এইখানে।

ই. হা.

………………………………………………………………………………………

।। তোমার জন্য বহুকষ্টে ।। ভয় ।। চুমু ।।  যে শহরে আমি নেই আমি থাকব না ।। অভিজ্ঞতা ।। ভ্রমণকাহিনী ।।  কোনো মহিলার জন্য এগারোটি প্রেমের কবিতা ।। উড়ে যাবে র্তকে বহুদূর ।। গোলাপ-প্রসঙ্গ ।। ডালিমের নিজস্ব সংবাদ ।। তোমাদের উঠোনে কি বৃষ্টি নামে? রেলগাড়ি থামে?  ।। বৃষ্টির ফোঁটা ও পাতাবাহার গাছ নিয়ে ।। মোরগ ।।  বোতাম ।। কাটপ্রোজ বা চিলতে গদ্য সিরিজের কবিতা ।।  স্পষ্ট হচ্ছে ।।

………………………………………………………………………………………

 

তোমার জন্যে বহুকষ্টে

তোমার জন্য বহুকষ্টে ফুটেছি লাল টবে
ও ফুল তুমি তুলতে আসবে কবে?

বাতাসে মুখ তুলে কাঁপি রোজ সাময়িক ডালে-
আমার কাঁটা স্বপ্ন দেখে সুন্দর দস্তানাপরা
তোমার দুটি আসন্ন হাত প্রিয়
স্বপ্ন দেখে কীটদষ্ট অযত্নে ডালটিও।

নতুন ভাগ্য লিখে দিয়ো গাছপালাদের একাকী কপালে
দাঁড়িয়ে তুমি তুলবে যখন আমায়
তোমার ভুলোমনের ঝুঁটি ধরে
ঢুকব আমি অসম্ভবের জামায়।

তোমার জন্য বহুকষ্টে ফুটেছি লাল টবে
ও ফুল তুমি তুলতে আসবে কবে?

 

ভয়

ভয় করে…

খালাম্মা, তোমার গন্ধে ঘুম আসে না যে!
এখন ওপাশ ফেরো, অন্যদিকে মুখ করে শোও।
তোমার ভিতরে কী যে হাওয়া কী যে জ্যোৎস্না কী যে নোনা বাদাড়ের ঘ্রাণ!
ভূতের পায়ের মতো শোঁ শোঁ শব্দে বড়-বড় পাতা ঝরে,
তোমার চোখের মধ্যে লণ্ঠনের শিখা নাচে কেন?
তুমি কি খেলার মাঠ? চিলেকোঠা?  খোসাহীন বাদামের ছড়াছড়ি?
উদামবুদাম শরীরে তোমার কী যে তাপ! কী যে জ্বর!
আমাকে এমন করে কেন তুমি জাপটে ধরেছ?
আমি কি শিমুল ফুল? লেপের ভিতর শীত? দলামচা বালিশ?
খালাম্মা, তোমার বুকে সরিষা ফুলের গন্ধ! চড়ুইয়ের পাখার ভিতরকার ওম!
তোমার নাকের কেশরের তাপে আমি পুড়ে যাব… পুড়ে যাব…
আমি পুড়ে ছাই হয়ে গেলে তুমি কি ফুঁ দিয়ে বাতাসে উড়িয়ে দেবে সেই ছাই?
খালাম্মা, আমার ভারী ভয় করে, আমাকে নামিয়ে রাখো পাশে-

মা দেখলে বকবে না?

 

চুমু

চুমুর টিলায় দাঁড়িয়েছিলাম
মনে আছে, মনে?
দুলল আকাশ দুলল পাতাল
পায়ের নিচের পৃথিবী মাতাল
মনে আছে, মনে?
কেবল আমরা টলিনি দুইজনে।

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য