Main menu

সাহিত্যে শ্লীল-অশ্লীল সম্বন্ধে আলোচনা।। শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী ।।

১৯২৮ সালে (মানে, ৯০ বছর আগে) নীরদ সি চৌধুরী এই লেখাটা ছাপাইছিলেন, শনিবারের চিঠি নামের পত্রিকায়। ক্ল্যাসিক শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী বাংলা-সাহিত্যে গ্রাম্য অশ্লীলতা করার লাইগা আধুনিক কবি-সাহিত্যিকদেরকে বকা-ঝকা করছিলেন। উনার বলার পয়েন্টগুলি সামারি করলে অনেকটা এইরকম হইতে পারে –

১. অশ্লীলতা নতুন কোন জিনিস না। লাইফে তো এইটা আছেই আর আর্টেও অনেকদিন ধইরাই এইটা আছে।

২. অশ্লীলতা আর দুর্নীতি এক জিনিস না। দুর্নীতি হইলো ইথিক্সের মামলা। অশ্লীলতা হইলো এসথেটিকসের জিনিস, আরো কোর ব্যাপার।

৩. অশ্লীলতা করাটা খারাপ কিছু না, কিন্তু করতে পারতে হবে। বাস্তবে যেইটা ঘটে সেইটারে বলতে পারাটাই আর্ট না।

৪. আর্ট হইতেছে এক ধরণের এক ধরণের ট্রান্সফর্মেশন, রস সৃষ্টি, সত্যি কথা বলার কোন মিডিয়াম না। মানে, সত্যি কথা বলাটা আর্টের উদ্দেশ্য না।

৫. আমাদের আধুনিক লেখকরা (মানে ওই সময়ের লেখকরা) আর্ট যেহেতু করতে পারেন না, উনাদের অশ্লীলতাও হয় না।

আমার ধারণা, উনার এই পয়েন্টগুলিতে এতো বছর পরে আইসা এখনকার ‘আধুনিক’রা কোন না কোনভাবে সাবস্ক্রাইব করেন। যেই কারণে, আমাদের ঢাকার ‘আধুনিক’ সমাজে (এখনো সোসাইটি শব্দটা এনাফ বাংলা হইতে পারে নাই, বড়লোকি হিংসা রইয়া গেছে এর শরীরে) জেসপার নোয়েলের ‘লাভ’ সিনেমা নিয়া ‘অশ্লীল’ কিনা সেইটা নিয়া একটু কনফিউজড থাকলেও, পাওলি দামের সেক্সিনেসরে কোনভাবে ‘অশ্লীলতা’ বইলা মনে হইতে পারে না, কিন্তু মুনমুন বা মূয়রী’র বাংলাসিনেমা যে অবশ্যই ‘অশ্লীল’ এই ব্যাপারে কোন ডাউট থাকার কথা না। একটা ব্যাপার হইতে পারে যে, অ্যাজ অ্যা প্রসেস, ইন আর্ট, উই অ্যাকসেপ্ট ইন্টেলেকচুয়ালিটি থ্রু ডিনায়াল। খাজুরাহো বলেন আর হিন্দু বা গ্রীক মিথ বলেন বা লাস্ট সেঞ্চুরির ডি.এইচ.লরেন্সও তাদের নিজেদের টাইমে এতোটা অ্যাকসেপ্টেট হইতে পারেন নাই। টাইম লাগছে। শ্রীনীরদচন্দ্রের আর্টের এলিটিসজমও না মানতে মানতে এখন একভাবে অ্যাবরর্জভড হয়া গেছে, আমাদের আর্ট ভাবনার ভিতরে।

কারণ, আর্টের জায়গাটাতে ক্লাসের ব্যাপারটা নিয়া আমরা এখনো মেবি ক্রিটিক্যাল হইতে রাজি না। ‘ছোটলোকদের’ আর যা-ই হোক, আর্ট তো হয় না! মাস পিপল যদি বুইঝাই ফেলতে পারে, রস নিতে পারে তাইলে সেইটা আর আর্ট হইলো কেমনে! বা উল্টাটাও, মাস পিপল যেইটাতে রস পায়, আমিও যদি সেইটাতেই আর্টের রস পাইতে থাকি তাইলে সেইটা আর্ট হইতে পারে কিনা? মানে, অশ্লীলতার আলাপটা কোনভাবেই আর্টের আলাপটারে বাদ দিয়া আসতে পারে না।

শ্রীনীরদচন্দ্র অশ্লীলতার বিপক্ষে না, বরং আর্ট করার পক্ষে। আমাদের ‘আধুনিকদের’ অবস্থাও তার চাইতে আলাদা কিছু তো না! যে, আমরা অশ্লীলতা করতে চাই, কিন্তু হয় না। কিন্তু এই হওয়া বা না-হওয়াটারে কোন পাল্লা দিয়া আমরা মাপতে চাইতেছি, সেই জায়গাটাতে কনসানট্রেট করতে পারাটা মেবি বেটার ফোকাসের জায়গা হইতে পারে। আর্টে অশ্লীলতা জায়েজ কি না-জায়েজ এইটা কখনোই কোশ্চেন না, কোশ্চেনটা সবসময়ই এইটা যে, কোনটারে আর্ট বইলা মাইনা নিতে আমরা রাজি অথবা রাজি না।

তো, উনার এই পুরান লেখাটার সিগনিফেন্স মেবি এইটুকই যে, অশ্লীলতার প্রশ্নটারে সার্টেন ওয়ে’তে যে ডিল কইরা আসা হইতেছে অনেকদিন ধইরাই, মেইন কোশ্চেনটারে ডিল না করার ভিতর দিয়া, সেইটা আবার নতুন কইরা চোখে পড়তে পারে।

ই.হা.

…………………………………………………………………………….


সাহিত্যে শ্লীল-অশ্লীল সম্বন্ধে আলোচনা

(শনিবারের চিঠি, ১৩৩৪, চৈত্র;ইং ১৯২৮সন)

॥১॥

“The thing that hath been, it is that which shall be; and that which is done is that which shall be done; and there is now new thing under the sun.

“Is there anything where of it may be said.  see, this is new? It hath been already old time, which was before us.“

Ecclesiastes. Ch I, vv.9-10.

আজ আর আধুনিক বাঙালী সাহিত্যিকরা কিছু ন’ন একথা বলিবার জো নাই। তাঁহারা সাহিত্যের ক্ষেত্রে আনকোরা নতুন একটা তথ্যের আবিস্কার করিয়া ফেলিয়াছেন। এই নবাষ্কিৃত সত্যের তুলনায় আইনস্টানের বৈজ্ঞানিক গবেষণাও অতি পুরাতন কথার চর্বিত-চর্বণ মাত্র। বিদ্রোহপন্থীরা বলেন, সাহিত্য অশ্লীলতার স্থান আছে। তাঁহাদের প্রবন্ধাদি হইতে আর জানিতে পারিলাম, স্বয়ং কালিদাস নাকি তাঁহার কাব্যে সম্ভোগের বর্ণনা করিয়াছেন, এমন কি সেক্সপীয়রও নাকি সার টোবি বেলচের মারফৎ বলিয়াছেন- রুচিবাগীশেরা যাহাই বলুক মদ ও মেয়েমানুষ পৃথিবীতে বরাবরই ছিল, বরাবরই আছে, বরাবরই থাকিবে। এই আবিষ্কারের তরুন সাহিত্যকদের পৃষ্ঠপোষকমহলে ধণ্য ধন্য পড়িয়া গিয়াছে। কেহ তরুন বিপ্লববাদীদের গবেষণার প্রশংসা করিতেছেন, কেহ তাহাদের নব নব উন্মেষশালিনী বুদ্ধি ও মনীষার পরিচয় পাইয়া স্তম্ভিত হইয়া গিয়াছেন, কে বা তাঁহাদের স্পষ্টবাদিতা, সাহস ও সত্যনিষ্ঠা দেখিয়া অভিভূত হইয়া পড়িয়াছেন।

আজ আমার মুক্তকণ্ঠে বলিতে পারি, জননী বঙ্গভূমি। আর তোমার কিসের দুঃখ মা! তোমার সন্তানের তপস্যায় আজ দেশে শ্লীলের, নীতির, ধর্মের-ভূতের ভগবানের, ‘কর্তার ইচ্ছায় কর্মে’র মোহ ঘুচিল।

“বিঘ্ন বিপদ দুঃখদহন তুচ্ছ করিল যারা
মৃত্যুগহন পার হইল টুটিল মোহকরা
দিন আগত ওই, ভারত তবু কই”

ভারত তবু কই? ভারত তবু কই, অন্তত বাংলাদেশে তবু কই বলিয়া আক্ষেপ করিবার অধিকার আর আমাদের নেই। বাঙালীর ছেলেও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করিতে জানে। সে মৌলিক গবেষণা করিয়া প্রমান করিয়া দিয়েছে সাহিত্য অশ্লীলের স্থান আছে, কালিদাসে অশ্লীলতা আছে !!! আপনারা সকলে হাততালি দিন।

কি শুভ মুহুর্তেই পৃথিবীতে আসিয়াছিলাম। আজ বাঁচিয়া আছি বলিয়াই ত বাংলা সাহিত্য নবীনের, তরুণের, বিদ্রেহের, অশ্লীলের অভিষেক দেখিতে পাইলাম।

“Biss was in that dawn to be alive,
But to be young was very heaven!”

বয়সে অথবা বুদ্ধিতে শিশু হইবার একটা মস্ত বড় সুবিধা এই যে তখন আদেখলেপনা করিতে কোন লজ্জা বা সঙ্কোচ বোধ হয়না। সেই বয়সে ঝাড়ের তিনকোনা কাচ হইতে আরম্ভ করিয়া কুমারসম্ভাবের অষ্টম সর্গে হরগৌরীর মিলনের বর্ণনা পর্যন্ত যাহা-কিছু একটা দেখিয়া হাঁ হইয়া যাইবার একটা অপরসীম, অফুরন্ত, দুর্নিবার ক্ষমতা থাকে। পৃথিবীতে যতই দিন কাটে, যতই অভিজ্ঞতা সঞ্চিত হইয়া উঠে, ততই অবাক হইয়া যাইবার ক্ষমতাটাও কমিয়া আসে, ততই রাজা সলোমানের মত মনে হয়, হায়! চিরতরুনী পৃথিবীতে চিরবৃদ্ধায় রূপান্তরিত করাই যদি মনের পরিনতির, জ্ঞানের অভিজ্ঞতার ফল হয় তবে এমন জ্ঞানের, এমন অভিজ্ঞতার, এমন মানসিক পরিনতির কি প্রয়োজন ছিল? জ্ঞান যে দুঃখের হেতু। আর এই জগৎ-Vanity of Vanities, all is Vanity!

বৃদ্ধ হিন্দু-সামজেরও এই মত। কিন্তু সাহিত্যিক পূর্বাশার কোলে অশ্লীল ঊষার প্রথমও সলজ্জ রক্তরাগ ফুটিয়া উঠিয়াছে দেখিয়া যাহার পাখীর মত আনন্দকাকলী করিয়া নতুন দিনের আহবান করিতেছেন, তাহাদের উৎসাহ দেখিায় মনে হইতেছে এতদিনে বুঝি হিন্দু সমাজের বৃদ্ধ অপবাদ ঘুচিতে চলিল। অলঙ্কার ও কামশাস্ত্রের নির্দেশমত হাজার বৎসর ধরিয়া কাব্যের পর কাব্য শত শত শ্লোকে নরনারীর অশ্লীলতার নেশা লাগিয়া উঠিতেছিল না। আজ কি সে নিজের জরা আর কাহারও ঘাড়ে চাপাইয়া যযাতির মত যৌবন ও ভোগের কামনা ফিরিয়া পাইল, না সে মরিয়াছে? চৌর-পঞ্চাশৎ, অমরুশতক, শৃঙ্গরতশতকের নির্জলা ব্যান্ডিতে যাহার নেশা হইত না, সে আজ এক পয়সার বিড়ি খাইয়া নেশা করি বলিয়া বড়াই করিয়া বেড়াইতেছে, এ কথাটা তো বিশ্বাসযোগ্য নয়। বৃদ্ধ হিন্দু সমাজ আর বাঁচিয়া নাই। সে পাড় মাতাল মরিয়াছে। তাহারই পোশাক পরিয়া এক অর্বাচীন ছোকরা বাপের হুকায় চুরি করিয়া এক টান দিয়াই ঘুরিয়া পড়িয়াছে। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

MANIFESTO OF RaTa (রঠা) ।। মে ই & তু খা

সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন পার্সোনাল স্পেস/ব্লগ থেকে লেখা এই বিভাগে পাবলিশ করবো আমরা; ক্যাটেগরি নামেই একভাবে ক্লিয়ার করা হইছে যে, আমাদের বিবেচনায় যেগুলি আরো বেশি রিডারের মাঝে ছড়ানো দরকার এবং আর্কাইভিং ভ্যালু আছে সেগুলিই রাখা হবে এই ক্যাটেগরিতে। যে লেখাগুলিকে অমন মনে হবে তার সবগুলি ছাপাইতে পারবো না মে বি; এখানে আমাদের চোখে পড়া বা আওতা এবং রাইটারের পারমিশন–এইসব ইস্যু আছে; ইস্যুগুলি উতরাইয়া যেইটার বেলায় পারবো সেগুলিই ছাপাতে পারবো মাত্র।

………………………………………………….

।। মেহরাব ইফতি ।। তুহিন খান ।।

রঠা বিষয়ক ৩ প্রস্তাব :

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে ‘রঠা’ বলাতে কোনো গ্রাম্যতা নাই। রঠার নানাবিধ অ্যাক্টিভিজম হইতে পারে; পলিটিকাল, কালচারাল, ইন্ডিভিজ্যুয়াল ইটিসি; আমার মেনিফেস্টো হইল যে ‘রঠা’ এমন টাইম পিরিয়ডে উচ্চারিত হইতেছে ইভেন ভবিষ্যতে আরো হবে যেখানে এই পয়লা মাইনসে টেকনোলজির ‘স্লিমনেসের’ কাছে হারতেছে; কোনোভাবেই এরে কপ করা যাইতেছে না; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে রঠা করার মাধ্যমে এই স্লিমনেসের লগেও একটা ফাইট দেওয়া হইতেছে; আমরা তো দিনমান টেক লইয়াই পার করতেছি; এখন কনশাসলি ‘রঠা’ তৈয়ার হওয়ার পিছনে একপ্রকার আনকনশাস ‘টেক’ স্লিমনেসও কাজ করে (যে কোনো কনশাস-ই তৈয়ার হইতেছে যে কোনো প্রকারের জিনিস হইতে); টেক এর যে ফিলোসফি যেটা মানুষ কপ করতে পারতেছে না অথবা পারতেছে স্ট্রাগল করতে করতে কিছুটা, সেই রেসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে রঠা হিশাবে নামাইয়া তো দেওয়া গেলো; আলহামদুলিল্লাহ!

এখন, যেহেতু প্রাইমারি পর্যায়ে স্লো ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’ এর লগে ফার্স্ট ‘রঠা’ এই প্রথম ফাইটে নামল; সুতরাং, সংঘর্ষ তো অনিবার্য হইবেই।

(২)
রঠার আরেক প্রকার প্রস্তাব কি হইতে পারে? স্লিমনেস বাদে। এইটা কি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে ছোট করা হয়? “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর”- এই নামের মধ্যে যে ‘ফেনোমেনন’ আছে, যেইটার কারণে আম ও খাস উভয়ই তার জেনারেল ক্রিটিকের বাইরে আরো আরো ক্রিটিক করার সীমাবদ্ধতা নিয়া বইসা থাকে (এই এমবিপিএসের জমানায়!), তারে একপ্রকার গতি (সাহস) দেয় এই রঠা; এইটা একটা ‘মুভ’ যেটা অই আইডিয়াল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আইডিয়াল মূর্তিটারে কেয়ার করে না; ডরায় না। ক্রিটিক করার লাইগ্যা এই ‘ডর’ থেকে মুক্তি পাওয়া তো জরুরিই আছিল, নাকি!

(৩)
এইটা রঠার তৃতীয় প্রস্তাব হিসাবে ধরা যাইতে পারে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে রঠা বললে নাম বিকৃত করা হয় কি? না, হয় না। এইটা তো অবিকৃতই রাখা হইছে আসলে। রবীন্দ্রনাথের ‘র’ আর ঠাকুরের ‘ঠ'; অতিরিক্ত কিছু যেমন কাসেমরে কাসেইম্ম্যা কিংবা বিকৃত অর্থে স্যার-রে ষাঁড় এইরকম বাড়তি কোনো কিছু + এবং – করা হয় নাই। এইভাবে ছাড়া আর কোনোভাবে কি আপনে স্লিম করতে চান? রবিঠাকুর? রবীন্দ্র? কিংবা, রবি?

এইটা করলে কিন্তু প্রতিবার-ই নামের অর্থ পাল্টাইয়া যাইতেছে। একবার দেবরাজ ইন্দ্র বাদ যায়, একবার নাথ (প্রভু) বাদ যায়। সো, সমস্যা তো! কি দরকার ডিস্টর্শন করার!

পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone

বাংলাদেশি বাংলায় গান (১)

বাংলাদেশি বাংলা গানের লিস্ট বানাইতেছি। ব্যাপারটা কম্যুনাল না, ডেমোক্রেটিক। ব্যাপারটা ভোকাবুলারির না, এটিচ্যুডের। মিউজিক লইয়া কইতে পারি না বেশি, স্রেফ মালুম হয়, কোন একটা ভঙ্গি আছে, তফাতের বইলা বুঝতে পারি, মিউজিক কম বুঝি বইলা বুঝাইতে মুশকিল হয়।

তো, বাংলাদেশি বাংলা কেমন? অনেকগুলি দিক আছে, এইখানে একটার কথাই কইতেছি। বাংলাদেশের বাঙালিরা ক্লাস-রিলিজিয়ন-মিডিয়াম উতরাইয়া যেই বাংলাটা বোঝে, কয়–সেই বাংলাটা। সবাই বোঝে তেমন বাংলা না পাইতেই পারি, কোন জরিপও নাই আসলে, তবু অনুমান করি একটা বাংলা বেশির ভাগ বাঙালি বোঝে বাংলাদেশের, সেই বাংলায় ইন্টার-ক্লাস, ইন্টার-মিডিয়াম আলাপ করে, আড্ডা মারে, গালি দেয়, পিরিত করে, আদর করে, ভাবে। সেই বাংলাটা চিনতে আর চিনাইতে চাইতেছি এই গানগুলির ভিতর দিয়া।

[গানের ইনফরমেশনগুলি নানান সোর্স থিকা নেয়া হইছে, অথেনিটিসির ব্যাপারে কিছুটা ডাউটফুল।…  ]

……………………………………………………………….

কি যাদু করিলা পিরীতি শিখাইলা

সিনেমা – রঙিন প্রাণ সজনী। লিরিকস – মনিরুজ্জামান মনির। সুর – আলম খান। গাইছেন – সাবিনা ইয়াসমিন আর অ্যান্ড্রু কিশোর।

কি যাদু করিলা পিরীতি শিখাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে

কি মন্ত্র পড়িলা ভাবেতে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে।।

নয়ন জুড়াইলা পরান কাড়িলা।
মরমে বাজাইলা মধুর বাঁশী

পড়ে গো ধলিয়া হাসিয়া হাসিয়া।
তোমারি মুখেতে পূর্ণ শশী

কি কথা কহিয়া পাগল বানাইলা
কিছুতে পারিনা সহিতে প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা সহিতে

কি মন্ত্র পড়িলা ভাবেতে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে

আমার লাগিয়া নিরালে বসিয়া।
তোমারে যতনে গড়িল বিধি

মরিব মরণে তোমারি বিহনে।
তোমারে জীবনে না পাই যদি

কি মালা গাঁথিলা আমারে পরাইলা
কিছুতে পারিনা খুলিতে প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা খুলিতে।। পুরাটা

শেয়ার অন::Share on Facebook0Share on Google+0Share on LinkedIn0Pin on Pinterest0Tweet about this on Twitter0Email this to someone
  1. ক্রিয়েটিভ আর্ট
  2. ক্রিটিকস
  3. তত্ত্ব ও দর্শন
  4. ইন্টারভিউ
  5. তর্ক
  6. অন্যান্য